পোলট্রি খাতে ৯৩৬ কোটি টাকা লুট : পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual8 Ad Code

ডেস্ক নিউজঃ পোলট্রি খাতের বড় কোম্পানিগুলো মুরগি ও বাচ্চার দাম বাড়িয়ে ৯৩৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসব হয়েছে মাত্র ৫২ দিনের মধ্যে। বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন এমন অভিযোগ করেছে।

Manual4 Ad Code

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি সুমন হাওলাদারের স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন অভিযোগ করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রান্তিক খামারিদের ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ব্যয় ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। পাইকারি পর্যায়ে যা সর্বোচ্চ ২৩০ টাকা। এ হিসেবে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো কেজিপ্রতি ৬০ টাকার বেশি মুনাফা করেছে। অপরদিকে মুরগির বাচ্চা উৎপাদনে খরচ হয় ২৮ থেকে ৩০ টাকা, যা চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ছিল ১০ থেকে ১৫ টাকা। প্রতিটি ৬২ থেকে ৬৮ টাকায় দেওয়ার কথা হলেও বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। কোম্পানিগুলো প্রতিটি বাচ্চায় অতিরিক্ত মুনাফা করছে ৩০ টাকা। দেশে প্রতিদিন মুরগির বাচ্চা উৎপাদন হয় ২০ লাখ।

Manual5 Ad Code

বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ৫২ দিনে মুরগি বিক্রির মাধ্যমে কোম্পানিগুলো লাভ করেছে ৬২৪ কোটি টাকা। আর এক দিনের মুরগির বাচ্চা বিক্রি করে তাদের মুনাফা ৩১২ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মুরগি ও বাচ্চার দাম বাড়িয়ে ৯৩৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো।

সংগঠনটি বলছে, পোলট্রি ফিড ও মুরগির বাচ্চা শতভাগ উৎপাদন করে করপোরেট প্রতিষ্ঠান। তারাই আবার আংশিক ডিম ও মুরগি উৎপাদন করে। চুক্তিভিত্তিক খামারও রয়েছে তাদের। অপরদিকে ব্রয়লার মুরগির অস্বাভাবিক দামের কারণ প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতি পোষাতে না পেরে খামার বন্ধ করে উৎপাদন থেকে ছিটকে পড়েছেন। এতে করে বাজার বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর দখলে চলে যাচ্ছে। এটা বন্ধ করা না গেলে এই খাতের অস্থিরতা কমানো সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code