হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস নাগরপুরে !

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্ক, নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের বৈচিত্রময় ঋতুর মধ্যে শীতকাল অন্যতম। এ মৌসুমে এক সময়ে গ্রাম-বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে খেজুরের রস দিয়ে ফিন্নি ,পায়েস, রসের গুড় দিয়ে ভাঁপা পিঁঠা এবং গাড় রস তৈরী করে মুড়ি, চিড়া, খই ও চিতই পিঠা সহ হরেক রকম পিঠাপুলির মহা উৎসব চলত ।কিন্তু আগের মতো গ্রাম্য রাস্তার দুপাশে সাড়ি সাড়ি খেজুর গাছ আর নেই। গ্রাম্য রাস্তা গুলো সংস্কার ও নতুন করে খেজুর গাছ রোপনে মানুষের আগ্রহের অভাবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও বাড়ীর উঠানের আশেপাশে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কিছু খেজুর গাছ। আর রস আহরণে এখনো গ্রাম্য রীতিতেই ঝুঁকি নিয়েই কোমরে রশি বেঁধে শীতের বিকালে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি গাছে বেঁধে তা থেকে রস সংগ্রহ করছে গাছিরা। আগে তারা এই কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাটে-বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। আবার কেউ কেউ সকালে রস জ্বাল দিয়ে গুড়-মিঠাই তৈরি করতো। প্রতিবছর এই মৌসুমে অযত্নে অবহেলায় পথে প্রান্তরেও পরে থাকা খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে এ সময়ে দুটো বাড়তি আয় করতো তারা।

Manual2 Ad Code

গাছি গণি মিয়া বলেন, রাস্তা গুলো সংস্কার হওয়ার কারনে খেজুর গাছ কেটে ফেলা হলেও নতুন করে আর কেউ গাছ লাগাচ্ছে না। বর্তমানে যে হারে খেজুর গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে তাতে এক সময় হয়তো আমাদের এলাকায় খেজুর গাছ দেখাই যাবে না।

Manual5 Ad Code

অনুসন্ধানে দেখা গেছে ,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। কারণ নতুন করে খেজুর গাছ রোপনে মানুষ আগ্রহী হচ্ছে না। তালগাছ রোপনের মত খেজুর গাছ রোপনে সরকারী-বেসরকারী প্রচারণা থাকলে খেজুর গাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারত, না হলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে ঐতিহ্য বাহী সুস্বাদু খেজুর গাছের রস, হারিয়ে যাবে গ্রাম বাংলার আরো একটি ঐতিহ্য।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code