নন্দীগ্রামে নিষেধাজ্ঞার পরেও মঙ্গলবারে হাট বসছে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual6 Ad Code

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) ঃ
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানছেন না সাধারণ জনগণ। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে উপজেলার লোকজন।
স্থানীয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা জারি, জনসচেতনতা, জরিমানা করার পরও লোকজন সচেতন হচ্ছেন না। পৌর শহর নন্দীগ্রামে সাপ্তাহিক হাট বসে প্রতি মঙ্গলবার। তবে হাট কেনাকাটা সারাদিন চলে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাপ্তাহিক হাট বসানো হলেও এবার ভোররাত থেকে শুরুহয় কেনাকাটা। অল্প সময়ে হাটে কেনাকাটায় উপচে পড়া ভীড় ছিল। ব্যবসায়ীরা হরেক রকম পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে কেনাকাটায় ব্যস্ত মানুষ। দেখে যে কেউ ভাবতে পারে, এখানে করোনাভাইরাসের কোনো বালাই নেই। ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় ছিল না কারোই। এ কারণে আতঙ্কে আছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।হাট করতে আসা ছাইদুর রহমান বলেন, সাপ্তাহিক হাট না করলে পরিবার নিয়ে খামু কি? হামাকেরে আর তো এক মাসের বাজার করার টেকা নাই। আলু বিক্রি করতে আসা হাফিজ মিয়া নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, হাটে আসা ও লোক সমাগমে যাওয়া নিষেধ জানি। কিন্তু কি করবো। টাকার প্রয়োজন, হাটে এসেছি। তাই শত বিপদের মাঝেও হাটে আসতে হয়েছে।এ দিকে গত মঙ্গলবার সাপ্তাহিক হাট বসানো হলে উপজেলা প্রশাসন হাটটি ভেঙে দেয়। পরে পৌরসভার পক্ষ থেকে আবারো মাইকিং করে সাপ্তাহিক হাট বসাতে নিষেধ করা হয়। কে শুনে কার কথা ? সেই নিষেধ অমান্য করে ফের বসছে হাট।এ বিষয়ে পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল বলেন, সাধারন লোকজন সচেতন না হলে কিছু করার নাই। বার বার মাইকিং করে হাট বসাতে নিষেধ করা হয়েছে। তারপরেও হাট বসছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code