

হাতিয়া প্রতিনিধি :
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রীরারা নদী পার হয়ে হাতিয়া আসে। এ সংবাদ পেয়ে স্থানীয় জনগন একটি ট্রলারে থাকা ১১জন যাত্রীকে অবরুদ্ব করে প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে প্রশাসনের নির্দেশে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নদীর তীরবর্তী ইউনিয়ন সূখচরের চেয়ারম্যান ঘাটে।
জানাযায়, গত কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কিছু লোক ভোর রাতে নদী পার হয়ে হাতিয়া আসে। হাতিয়ায় কয়েকটি ইউনিয়নের আভ্যন্তরিন যোগাযোগ খুবই দুর্বল হওয়ায় প্রশাসন সবসময় যেতে পারেনা। তাই স্থানীয় জনগনকে বাহিেের থেকে আসা লোকজনকে পাহারা দেওয়ার জন্য বলা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
এদিকে সোমবার রাতে একটি ট্রলার লক ডাউন উপেক্ষা করে চতলা ঘাট থেকে নদীপথে হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাটে আসে। এসময় ট্রলারে থাকা ১১জন যাত্রী তীরে উঠলে স্থানীয় মহল্লাদার ও জনতার হাতে অবরুদ্ব হয় তারা। পরে প্রশাসনকে সংবাদ দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তাদেরকে রামচরন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
কোয়ারেন্টিনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে হাতিয়া পৌরসভা ৬জন জাহাজমারা উইনিয়নের ২জন সোনাদিয়া ইউনিয়নের ১জন ও বুড়িরচর ইউনিয়নের ২জন।
আটককৃতরা জানায়, তারা নোয়াখালীর সদর উপজেলার আটকপালিয়া মন্নান নগর এবং চৌরাস্তা থেকে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে রাত প্রায় ১টার দিকে চতলা ঘাটের একটি মাছ ধরা নৌকায় জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে হাতিয়া সুখচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানঘাটে এসে নামে। রামচরণ বাজার পর্যন্ত আসলে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় মহল্লাদারগণ তাদের আটক করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম জানান , বাহিরে থেকে ১১জন সবাইকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদের খাওয়ার আমরা উপজেলা পরিষদ থেকে ব্যবস্থা করবো।