

নারীর গর্ভ ভাড়ার বিষয়টি বেশ প্রচলিত। বিশেষ করে ভারতে অর্থের বিনিময়ে গর্ভ ভাড়া দেওয়া এখন অনেকটা স্বাভাবিক ব্যাপার। বাংলাদেশেও এমনটা হচ্ছে বলে শোনা যায়। কিন্তু ভাড়ায়ও বাবা পাওয়া যায়! বিস্ময়বোধ হলেও এটি-ই সত্যি! অস্ট্রেলিয়াতে অর্থের বিনিময়ে মিলছে ভাড়ার বাবা। ডেইলি মেইল এ খবর প্রকাশ করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে বসবাস করেন জেক জেমস নামে এক যুবক। সম্প্রতি ওই ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাড়ার বিনিময়ে বাবার ভূমিকা পালনের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন—‘নতুন ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করছি।’
এই বিজ্ঞাপনে জেক জেমস লিখেছেন—আপনার বাচ্চার সঙ্গে খেলা থেকে সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়ানো, যত্ন নেওয়া, বেড়াতে নিয়ে যাওয়াসহ সবকিছু করবেন ভাড়ার বাবারা। তবে তার জন্য ভালো খরচ করতে হবে। প্রতি ঘণ্টায় ৩০ ডলার (২৫৪৮ টাকা) করে ভাড়া দিতে হবে। রবিবার বিকেল ৪টার পর ডিউটি করলে আরো ২০ শতাংশ বাড়তি চার্জ লাগবে। আর রবিবার ডিনারে নিয়ে যেতে হলে তার জন্যও লাগবে আলাদা চার্জ।
ভাড়ার বাবার দায়িত্ব বর্ণনা করে জেক জেমস আরো লিখেছেন—শিশুদের স্কুলে দিয়ে আসা, নিয়ে আসার কাজও করবেন ভাড়ার বাবা। কোনো স্পোর্টস ইভেন্টে নিয়ে যাওয়া এবং শিশুর পছন্দমতো তিনটি অ্যাক্টিভিটি শেখাবেন। জীবনের মূল্য সম্পর্কে তিন ঘণ্টা করে শিক্ষা দেবেন। শিশুকে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ, লন পরিষ্কার করাও শেখানো হবে। তাছাড়া কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠান বা পার্টিতে যোগ দিতে হলে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে। একই সঙ্গে ভাড়ার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেওয়া বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সেলফি তুললে আলাদা আলাদা অর্থ গুনতে হবে।
International
হংকংয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের পিপার বল
নির্বাচনের পেছানোর প্রতিবাদে হংকংয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। রোববার পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পিপার বল ছুড়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর হংকংয়ের লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে এশিয়ার এই বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম করোনার প্রাদুর্ভাবের অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন জুলাই পর্যন্ত পিছিয়ে দেন। ল্যামের এই সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রপন্থীদের ওপর বড় আঘাত হিসেবে বিবেচেনা করা হচ্ছে। কারণ এবারের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তারা বিজয়ী হবেন বলে প্রত্যাশা করেছিলেন।
ওং নামে ৭০ বছরের এক নারী বলেন, ‘আজ আমাদের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। আমাদের ভোটের জন্য লড়াই করা প্রয়োজন।’
গত জুনে সাবেক ব্রিটিশ কলোনি হংকংয়ে নতুন নিরাপত্তা আইন জারি করে চীন। ওই ঘটনার পর এটাই ছিল প্রথমবারের লেজিসলেটিভ কাউন্সিল নির্বাচন। সরকার অবশ্য দাবি করেছে, কোনো রাজনৈতিক কারণে নির্বাচন পেছানো হয়নি।
রয়টার্স জানিয়েছে, কোলুন এলাকায় কয়েকশ বিক্ষোভকারী জড়ো হয়। তারা নিষিদ্ধঘোষিত স্লোগান ‘হংকং স্বাধীন কর’ দেয়। অবৈধ সমাবেশের অভিযোগে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।