

নজরুল ইসলাম বাচ্চু, চারঘাট (রাজশাহী)
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতীর পিতা শেখ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতার পরপরই দেশের পুলিশ বাহিনীকে জনগনের পুলিশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নানা উদ্যেগ গ্রহন করেছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালের ৯ই মে বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম প্রশিক্ষন সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সরকার গঠন করায় পুলিশের আধুনিকায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে উন্নত দেশের পুলিশের সমপর্যায়ে উন্নীত করতে পুলিশের বাজেট ১৬ হাজার কোটি টাকা ও সাংগঠনিক কাঠামোতে জনবল ১ হাজার ৫০১টি ক্যাডার পদসহ ৮২ হাজার ২ শত ৩১টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি রবিবার সকালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী সারদায় ৩৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ১২জন নারীসহ ৯৭ জন শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ সুপারদের এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষন সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী বক্তব্য দান কালে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন পুলিশ সদস্যদের আধুনিকায়নে অপরাধী সনাক্তকরন ও মামলা তদন্তে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের লক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার সেন্টার, ডিএনও ল্যাব, পুলিশ সদস্যদের কল্যানের জন্য পুলিশ কল্যান ট্রাষ্ট, পুলিশের সেবা জনগনের দৌরগোড়ায় পৌছে দিতে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং গঠন করা হয়েছে যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছি। এছাড়াও করোনাভাইরাস প্রাদুভাবের পর থেকে রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা ও জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ নিমূলে পুলিশ প্রশংসনীয় ভুমিকা পালন করেছে। তিনি পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন স্বাধীনদেশের পুলিশ হিসেবে পুলিশ বাহিনীর কর্তব্য জনগনকে সেবা করা, জনগনকে ভালবাসা দুর্দিনে জনগনকে সাহায্য করা, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগনের মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্টত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহারিয়াল আলম এমপি, স্বরাষ্ট মন্ত্রালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার), বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্রিন্সিপাল খন্দকার গোলাম ফারুক পিপিএম (অতি: আইজি) সহ পুলিশ বিভাগের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা বৃন্দ।