সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আল- ফয়েজ ফাউন্ডেশনের গুণীজন সম্মাননা প্রদান সম্পন্ন

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual6 Ad Code
আল ফয়েজ ফাউন্ডেশন কোম্পানীগঞ্জ সিলেটের উদ্যোগে গত ১৭ই মে সোমবার সকালে খাগাইল বাজারস্ত গ্রীনবার্ড একাডেমি হলরুমে ‘গুণীজন সম্মাননা- ২০২১’ নামক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এবার চার গুণীজনকে সম্মাননা স্মারকসহ গিফট সামগ্রী প্রদান করা হয়।তারা হলেন যথাক্রমে জামেয়া মুশাহিদিয়া খাগাইল মাদরাসার সাবেক দীর্ঘকালীন নাযিমে তালিমাত,উত্তর সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমে দ্বীন, মাওলানা আব্দুল মতীন হাফিযাহুল্লাহ, জামেয়া মুশাহিদিয়া খাগাইল এর সাবেক মুহাদ্দিস মাওলানা আবদুল মান্নান, সাবেক সিনিয়র শিক্ষক  মাওলানা আব্দুল মান্নান ও মাস্টার আব্দুর রকিব রাহিমাহুল্লাহকে।
সিলেট জেলা বারের বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট আজমল আলীর সভাপতিত্বে ও লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রভাষক জিয়াউর রহমানের সাবলীল সঞ্চালনায় শুরুতে কালামে হাকীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ আলী হোসাইন ও নাশীদ পরিবেশন করেন শিল্পী আবদুল জব্বার। আল-ফয়েজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ মাওলানা ফয়জুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গুণীজন সম্মাননা বাস্তবায়ন পরিষদ ২০২১ এর আহবায়ক  মাওলানা মাহবুবুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন হবিগন্জ জেলা উপ-পরিচালক,বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আব্দুল মালিক, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি মফিজুর রহমান, ইয়র্ক বাংলা’র সম্পাদক মাওলানা রশীদ আহমদ ও মঈন উদ্দীন মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আজির হাসিব।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা স্মারক ২০২১ প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন যথাক্রমে হাফিজ সাজিদুর রহমান,হাফিজ আনসার উদ্দীন,মাওলানা সুহেল আহমদ ও মাওলানা মুজিবুর রহমান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অনুভূতি পেশ করে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আবদুল মন্নান, বিশিষ্ট মুরুব্বি শামসুদ্দিন শাহীন, দলইরগ্রাম মাদ্রাসার নাযিমে তালিমাত হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান,
মারকাযুল হিদায়া সিলেটের পরিচালক মাওলানা নুরুযযামান সাঈদ,মাওলানা জফির আলী,
পাড়ুয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজ মাছুম আহমদ,শাহাবুদ্দিন,মাওলানা মুহি উদ্দীন ও মাওলানা মুস্তাক আহমদ প্রমুখ।
বক্তারা এমন উদ্যোগ তথা আয়োজনের ভুঁয়সী   প্রশংসা  করে বলেন যে – সত্যিই আমরা আজ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আনন্দিত ও উদ্দোলিত। তাঁরা আরও বলেন যে জাতি সম্মান প্রদর্শন করতে জানে না, তারা সম্মানিত হতেও পারে না। কাজেই আমাদের উচিত এজাতীয় সম্মাননা  অনুষ্ঠান আরো বেশি ও ব্যাপক হারে আয়োজন করা সময়ের দাবী। যাতে করে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এসমস্ত অনুষ্ঠানাদি   থেকে শিক্ষা নিয়ে আরো বেশি অনুপ্রাণিত হয়।  তারা লেখাপড়ায় আরো বেশি মনোযোগী এবং আগ্রহী ও উদ্যমী হতে পারে।– বিজ্ঞপ্তি
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code