নিউজ ডেস্কঃ সিলেট নগরীর তালতলাস্থ একটি হোটেলে প্রেমিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বন্ধুসহ প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ। থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর কবির গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তারকৃতরা। শুক্রবার রাতে নবীগঞ্জের বরগাঁও থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-প্রেমিক হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ববকান্দি গ্রামের মৃত হুদ খাঁর ছেলে জুয়েল খাঁ (২২) ও তার বন্ধু বরগাঁও গাজী মোকাম গ্রামের মৃত আহম্মদ মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়া (২৬)।
জানা যায়, মোবাইল ফোনে ওই কিশোরীর সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম হয় জুয়েল খাঁ’র। দেখা করার অজুহাতে গত ৬ অক্টোবর বিকেলে ওই কিশোরীকে নিয়ে সিলেট আসে জুয়েল। এরপর কদমতলী থেকে জুয়েল ও তার বন্ধু জুনেদ মিলে সিলেট নগরীর তালতলাস্থ আবাসিক হোটেল সুফিয়ার দ্বিতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে কিশোরীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন ৭ অক্টোবর সকালে ওই কিশোরীকে বাসে উঠিয়ে দুপুরে নবীগঞ্জের পানিউমদায় নামিয়ে দিয়ে জুনেদ মিয়া সটকে পড়ে। বিষয়টি স্বজনদের জানায় ভুক্তভোগী কিশোরী। স্বজনরা বাহুবল মডেল থানায় জানালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
বাহুবল মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, আসামি গ্রেপ্তারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সিএনজি অটোরিক্সা চালককে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার কিশোরী হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতরা হবিগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তারা আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
