

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতিসহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বছর বাংলাদেশিদের হজে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সৌদি সরকার এ বিষয়ে খুব দ্রুতই আদেশ জারি করবেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর আশকোনায় হজ অফিস সভাকক্ষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে আগামী হজকে আরও নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে হজে গমনের সুযোগ তৈরি হলে যাত্রীরা যাতে সুষ্ঠুভাবে হজ পালন করতে পারেন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে কতজন হজে যেতে পারবেন তা সৌদি-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তিতে নির্ধারিত করা হবে। তবে এর আগে যারা হজের নিবন্ধন করেছেন তারাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হজে যেতে পারবেন। কোনোক্রমেই সিরিয়াল ভঙ্গ কর হবে না। হজের পুরো কার্যক্রম অটোমেশন করা হয়েছে।
ফরিদুল হক খান বলেন, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রায় ৪৫ শতাংশ হজযাত্রীর সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশন বাংলাদেশেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। এ বছর বাংলাদেশের পূর্ণসংখ্যক হজযাত্রীর সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশন বাংলাদেশেই সম্পন্ন করা হবে।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমানের পর্যাপ্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা, প্রথম হতে শেষ পর্যন্ত শিডিউল ঠিক রাখা, সহজে টিকিট প্রাপ্তি, হজ যাত্রীদের লাগেজ পরিবহন, পাসপোর্ট প্রাপ্তি সহজীকরণ, হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যসেবা, সৌদি আরব অংশে খাবার, আবাসন ও পরিবহনসহ যাবতীয় সেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এখন থেকেই সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।