

ধর্ম: পুরুষশাসিত সমাজে নারী পুতুলের মতো ব্যবহার হচ্ছে। যার যেভাবে খুশি সেভাবেই নারীকে ভোগ করছে। অবাক হলেও সত্য, এ যুগের নারীবাদীরাও নারীকে মুক্ত নয় বরং আধুনিক দাসী-বাঁদি করে রাখার জন্য নির্লজ্জ সংগ্রাম করে যাচ্ছে।
আমরা দেখেছি, বেগম রোকেয়া নারীমুক্তির আন্দোলন করেছেন; আর আজকের নারীবাদীরা নারীর গলা থেকে লোহার শিকল খুলে সোনার শিকল পরিয়ে দিয়েছে। নজরুল এক কবিতায় বলেছেন, শেকল সোনার হলেও তা বন্দিই করে, মুক্ত করে না। নারীমুক্তি কোন পথে তা দেখতে চাইলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষকে চোখ ফেরাতে হবে আধুনিক নারীমুক্তি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দিকে।
পৃথিবীর কোনো নারীবাদী ব্যক্তি-সংগঠন যা করতে পারেনি, হজরত মুহাম্মদ (সা.) তা করে দেখিয়েছেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, হে পুরুষ সমাজ! তোমাদের বেহেশত হল একজন নারীর পায়ের নিচে; যিনি তোমার মা হন। আর সে বেহেশতের যোগ্য হওয়ার জন্যও একজন নারীর সার্টিফিকেট প্রয়োজন, সে তোমার স্ত্রী হয়।
অর্থাৎ যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার স্ত্রী তোমাকে ভালো মানুষ বলে সার্টিফাই না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি জান্নাতের ফিটনেস পরীক্ষায় অকৃতকার্য বলে প্রমাণিত হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, পৃথিবীর সব মানুষের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক, সুব্যবহারের কমতি নেই, শুধু স্ত্রীর সঙ্গে আমরা সুন্দর ব্যবহার, মিষ্টি আচরণ করতে পারি না। রাসূল (সা.)-এর সব স্ত্রীই স্বীকৃতি দিয়েছেন, আমাদের স্বামী নারীজাগরণের মুক্তির দূত নবী (সা.) কখনও আমাদের ধমক দেননি এমনকি চোখ রাঙিয়েও কথা বলেননি।