ছুটে যাওয়া নামাজ যেভাবে আদায় করবেন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: ঈমানের পর একজন মুসলমানের জন্য সবচে বড় আবশ্যক বিষয় হল; সময়মতো নামাজ আদায় করা। এ সম্পর্কে বহু আয়াত ও হাদিস এসেছে। এবং সময়মতো নামাজ না পড়লে অনেক ধমক এসেছে। তাই একজন মুমিনের কর্তব্য সময়মতো নামাজ আদায় করে নেওয়া। কাজা না করা। তা সত্ত্বেও যদি কোনভাবে নামাজ কাজ হয়ে যায় তাহলে তা অতি দ্রুত আদায় করে নিবে।
রোজা, হজ ইসলামের মৌলিক ইবাদত ও ঈমানের স্তম্ভ। সেগুলো ছুটে গেলে কাজা করা আবশ্যক। নামাজও ঈমানের স্তম্ভ এবং রোজা ও হজ থেকেও আরো বড় আমল। তাই নামাজ ছুটে গেলে তার কাজা করা আরো বেশি আবশ্যক।
এটি ইসলামের নির্দেশ। অনেক হাদিসে বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে। সকল সাহাবা তাবেয়ীনের ফতওয়া ও নির্দেশনা এটাই। বরং সাহাবা তাবেয়ীন থেকে নিয়ে গোটা উম্মতের সর্বসম্মত বক্তব্যও তাই। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আবূ সাঈদ খুদরী রা. বলেন, খন্দকের দিন আমরা নামাজ পড়তে পারিনি। এমনকি মাগরিবের পরও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেলাল রা.-কে ডেকে পাঠালেন। তিনি ইকামত দিলেন। আল্লাহর রাসুল সুন্দর করে নামাজ পড়ালেন, যেমন সময়মত নামাজ পড়িয়ে থাকেন। এরপর বেলাল রা.-কে আদেশ করলেন (আসরের ইকামত দিতে) বেলাল রা. ইকামত দিলেন। তিনি আসরের নামাজ সুন্দর করে পড়ালেন, যেভাবে তিনি সময়মত পড়িয়ে থাকেন। অতঃপর মাগরিবের ইকামত দিতে আদেশ করলেন। বেলাল রা. ইকামত দিলেন। তিনি একইভাবে মাগরিব পড়ালেন। রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমাদের কেউ নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে পড়লে বা নামাজ থেকে উদাসীন হলে, যখন নামাজের কথা মনে পড়বে, তখন যেন সে নামাজ পড়ে নেয়। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন, তুমি আমার স্মরণে নামাজ আদায় কর। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬০১)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code