

ডেস্ক নিউজ: দুনিয়া জোড়া খ্যাতি আছে যে কয়’ খাবারের দোকানের, তারমধ্যে কেএফসি’র নামটাই সম্ভবত সবার প্রথমে আসবে। উন্নতবিশ্বে তো বটেই, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশেরগুলোর মানুষের কাছেও কেএফসি’র খাবার খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
একটু ফুসরত পেলেই আমরা ছুটে যাই ফাস্টফুডের স্বাদ নিতে। আজ যে মানুষের মধ্যে ফাস্টফুডের প্রতি এক ধরনের আসক্তি তৈরি হয়েছে তার পেছনেও রয়েছে কেএফসির ভূমিকা। যার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য ফাস্টফুডের দোকান।
আজ যারা কেএফসির খাবার খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলি তাদের ক’জনই জানি—কী করে গড়ে উঠল কেএফসি। আর কিভাবেই তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল সারাবিশ্বে।
কর্নেল স্যান্ডাসের জন্ম ১৮৯০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। বাবা উইলবার ডেভিড ও মা মার্গারেট অ্যানের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। এক দুর্ঘটনায় স্যান্ডাসের বাবার পা ভেঙ্গে যায়। তার দুই বছর পরে ১৮৯৫ সালে মারা যান তার বাবা। বাবার মৃত্যুর কয়েক বছর পর আবার বিয়ে করেন স্যান্ডাসের মা মার্গারেট অ্যান।
সৎ বাবার পরিবারে পড়ে থাকতে ভালো লাগেনি স্যান্ডাসের। ১৯০৩ সালে স্কুল ছেড়ে দিয়ে এক খামারে কাজ শুরু করেন। এরপর ইন্ডিয়ানা পুলিশ বাহিনীর ঘোড়ার গাড়ি রঙ করার চাকরি নেন। ১৪ বছর বয়সে একটি খামারে খেতমজুরের কাজ করেন দুই বছর। সেখান থেকে মায়ের অনুমতি নিয়ে ১৯০৬ সালে ইন্ডিয়ানার নিউ আলবানিতে একটি গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানিতে চাকরিরত তার চাচার সঙ্গে দেখা করেন। চাচা তাকে ওই কোম্পানিতেই কন্ডাক্টরের চাকরি দেন।
এখানে বছরখানেক চাকরি করে আলবামার আরেক অঞ্চলে তার আরেকজন চাচার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি সেখানে স্যান্ডার্সকে একটি কামারশালায় ঢুকিয়ে দেন। এখানে দুইমাস যেতে না যেতেই আরেক এলাকা জাসপারে কয়লাচালিত ট্রেনের ছাইয়ের টাংকি পরিষ্কারের কাজ নেন। ১৬ বছর বয়সে কাজ পান ফায়ারম্যানের। এরমধ্যে নর্থফোক এবং ওয়েস্টার্ন রেলস্টেশনে দিনমজুরের কাজও জুটিয়ে নেন।