BengaliEnglishFrenchSpanish
আইন বাস্তবায়নের অপেক্ষা ফুরোচ্ছে না - BANGLANEWSUS.COM
  • ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ


 

আইন বাস্তবায়নের অপেক্ষা ফুরোচ্ছে না

newsup
প্রকাশিত নভেম্বর ৫, ২০২২
আইন বাস্তবায়নের অপেক্ষা ফুরোচ্ছে না

বিশেষ প্রতিবেদন: ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে সড়ক পরিবহন আইন পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় সরকার। ওই বছর আইন প্রণয়ন হলেও বেশ কয়েক বছর ধরে বিধিমালা তৈরিতে এক মন্ত্রণালয় থেকে অন্য মন্ত্রণালয়ে ঘুরছে ফাইল। বছরের পর বছর সময় ক্ষেপণ হলেও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরতরা তাকিয়ে আছেন, কবে তৈরি হবে বিধিমালা। বিধিমালা হওয়ার পর কবে থেকে কার্যকর হবে আইনটি, এমন প্রতীক্ষায় সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা অনেকেই।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর অধীনে সড়ক বিধিমালা-২০২১ যাচাইয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বিধিমালার বিভিন্ন বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করে আইন মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবে। এ ছাড়া বিধিমালায় আর্থিক বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পর্যালোচনা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, বিধিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ বিধিমালার যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

যে প্রেক্ষাপটে আইনটি পরিবর্তন করা হয়েছিল, আদৌ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবে কি না, ধারাগুলো পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে মালিকদের সুযোগ করে দেওয়া হবে কি না; এসব প্রশ্ন নিরাপদ সড়ক নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও। এ ছাড়া চালকদের বেতনকাঠামো এবং আট ঘণ্টার বেশি গাড়ি না চালানো, চালকদের দক্ষ করে তৈরি করার জন্য প্রশিক্ষণ, সড়কের ত্রুটি নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, চালকদের বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়াসহ নানা বিষয় সম্পর্কে এখনও দৃশ্যমান কোনও অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিধিমালা এখনও না হওয়ায় বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না আইনটির।
বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮, সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭, রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭, ট্যাক্সি ক্যাব সার্ভিস গাইডলাইন ২০১০ এরই মধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন বিধিমালা ২০২১-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। অচিরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বিধিমালা প্রণয়নে।

এই সংবাদটি 1,227 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।