BengaliEnglishFrenchSpanish
ভারতের ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার : কীভাবে যাবেন, যা দেখবেন - BANGLANEWSUS.COM
  • ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ


 

ভারতের ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার : কীভাবে যাবেন, যা দেখবেন

newsup
প্রকাশিত নভেম্বর ১৭, ২০২২
ভারতের ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার : কীভাবে যাবেন, যা দেখবেন

ডেস্ক নিউজ: প্রায় ১০ বছরের পরিকল্পনা ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার দেখতে যাবো। শুনেছি সে এক স্বপ্নিল উদ্যান। প্রাকৃতিক ভাবে শতশত ফুল ফোটে সেখানে। বহুবার পরিকল্পনা নিয়েও ভেস্তে যায়, কখনো বন্ধু যোগাড় হয় না, কখনো আবার সময়। যাই হোক অবশেষে দুই বন্ধু চূড়ান্ত করেই ফেললাম, এবার যাবোই। তারপর কাঁধ-ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে প্রস্তুত হলাম ফুলের স্বর্গরাজ্যে যাওয়ার।
১২ জুলাই ঢাকা থেকে রওনা হলাম বেনাপোল স্থলবন্দরের দিকে। সেখানে দিয়ে বর্ডার পার হয়ে কোলকাতা যাব। তারপর কোলকাতা থেকে গন্তব্যে। ঢাকার মালিবাগের সোহাগ পরিবহন কাউন্টার থেকে বাস ছাড়ল রাত ১০.৩০ মিনিটে। আগ্রহের আরেক কারণ, আমাদের বাস পদ্মা সেতু দিয়ে যাবে।
ভোর ৪টার দিকে বেনাপোল পৌঁছলাম। কিন্তু বর্ডার খুলবে সকাল সাড়ে ৬টায়। এতক্ষণ অপেক্ষা, কি আর করার! দুই বন্ধু বসে অপেক্ষা আর চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে সময় কাটালাম। বর্ডার খুলে কার্যক্রম শুরু হলো কিন্তু দুই পারে প্রায় হাজার খানেক মানুষ। বুঝতে পারছিলাম অনেক সময় লাগবে। বেলা ১২ টার দিকে দুই দেশের ইমিগ্রেশন শেষ হলো। এবার কোলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম। যেতে সময় লাগলো প্রায় ৫ ঘণ্টা।
১৪ জুলাই বেলা ১২ টায় আমাদের ফ্লাইট কোলকাতা থেকে উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনে। যথাসময়েই ফ্লাইট ছাড়ল। আমরা দেরাদুন গিয়ে পৌঁছলাম বেলা ৩ টার দিকে। এয়ারপোর্ট থেকে নেমেই দেখি হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া ছিলো খুবই আরামদায়ক। তাপমাত্রা ২০ এর মতো হবে। এয়ারপোর্ট স্ট্যান্ড থেকে একটা ট্যাক্সি রিজার্ভ করলাম ঋষিকেষ বাস স্ট্যান্ডের কাছে।
কিন্তু এখানে এসে একটা সমস্যায় পরতে হলো। বিদেশীদের থাকার হোটেল পাচ্ছিনা। সাধারণত কোনো বিদেশী হোটেলে থাকলে হোটেল কর্তৃপক্ষের একটা ‘সি ফর্ম’ ফিলাপ করে থানায় জমা দিতে হয়। কিন্তু সাধারণ হোটেলে এই সুবিধা থাকে না। আমরা ঋষিকেষ এলাকায় কোনো হোটেলে এই সুবিধা পাচ্ছি না। অবশেষে একটি হোটেল ম্যানেজ হলো। হোটেলে উঠে সবাই ঘুম। তার আগে খাবার এনে খেলাম। পরদিন খুব ভোরে রওনা দিতে হবে।
ভোর ৫ টায় রুম চেক আউট করে বের হলাম বাস স্ট্যান্ডের দিকে। বাস ছাড়ল সকাল ৬ টায়। পাহাড়ি রাস্তা বেয়ে বাস ছুটে চলল আর সঙ্গে চলছে গঙ্গা নদী। ঘণ্টাখানেক চলার পর ড্রাইভার সাহেব নাস্তার ব্রেক দিল। বাস থেকে নেমে এক হোটেলে খেতে বসলাম, এখানে হালকা নাস্তা করলাম। নাস্তা শেষে বাস আবারও চলতে শুরু করল। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার রাস্তা, সারা দিনের ব্যাপার। শুনেছি বাস অন্তত ৩ বার ব্রেক দিবে।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।