ওয়াজ-মাহফিলে চুক্তিভিত্তিক আলোচনা কতটা জায়েজ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: আবহমানকাল ধরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি-ঐহিত্যের সঙ্গে মিশে আছে ওয়াজ-মাহফিল। মানুষের কাছে শান্তি-সম্প্রীতি ও ইসলামের সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম প্লাটফর্ম হিসেবেও পরিচিত এ মাহফিলগুলো। শীত মৌসুমে মাহফিলগুলোকে ঘিরে ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে এক ধরনের উৎসব আমেজের দেখা মেলে। ওয়াজ-মাহফিলের বিভিন্ন ভালো মন্দ দিক নিয়ে কথা বলেছেন সময়ের আলোচিত বক্তা ও মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী। আবহমানকাল ধরে বাঙলার ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে ওয়াজ-মাহফিল, ইসলামের প্রচারে কতটা গুরুত্ব রাখছে মাহফিলগুলো?

Manual3 Ad Code

মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী বলেন, আমাদের দেশের শহর, গ্রাম-গঞ্জ, পাড়া-মহল্লায় ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন- বেশ পরিচিত একটি চিত্র। ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও চেতনা বিস্তারের এমন এফেক্টিভ ও প্রোডাক্টিভ দৃশ্য বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম দেশে সাধারণত দেখা যায় না। এক বিবেচনায় এটাকে দ্বীন-ইসলামের তাবলীগ বা প্রচার-মাধ্যমও বলা যায়, আবার দীনের তালীম বা সাময়িক মাদরাসাও বলা যায়। কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের জন্য ধর্মীয় জ্ঞান শেখা, ইসলাম সম্পর্কে জানার সংক্ষিপ্ত পরিসরের চমৎকার একটি পাঠশালা এটি।

ওয়াজ মাহফিল, ইসলামের ওপর চলার আগ্রহ বাড়ায়, ইসলামের ওপর চলতে সাহায্য করে। কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে। কারণ, কীভাবে একটি সুস্থ, ইসলামি সমাজ গঠন করা যায় এ নিয়ে সেখানে ধারণা দেওয়া হয়! ওয়াজ মাহফিল ব্যক্তিজীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসে। সাহাবা, অলি-আউলিয়াদের কথা ঘটনা শুনে মানুষের মাঝে এক ধরনের পরিবর্তন আসে। নিজের জীবনেকে পূর্ববর্তীদের মতো করে গড়ার অনুপ্রেরণা তৈরি হয়।

সুতরাং ইসলামের অনাবিল সৌন্দর্য বিস্তারে ওয়াজ-মাহফিলের গুরুত্ব ও অবদান অনস্বীকার্য।

Manual4 Ad Code

চুক্তি করে টাকা নেওয়া বা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার জন্য আয়োজকদের জোরাজোরি করা মোটেও উচিত নয়। এমন আলোচকের আলোচনার মাধ্যমে মানুষ হেদায়েত না পাওয়ার আশংকাই প্রবল। কেননা, পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা তাঁর অনুকরণ করো যে, তোমাদের কাছে কোনো বিনিময় চায় না। আর এমন লোকেরাই হিদায়েতপ্রাপ্ত’। (কোরআন, ৩৬:২০)

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code