

ডেস্ক নিউজ: আরবি বারো মাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মাসের নাম রমজান। এ মাসে মুমিনের ওপর ফরজ করা হয়েছে পূর্ণ একমাস সিয়াম পালন। সিয়াম পালনকারীকে আমরা রোজাদার বলে অভিহিত করে থাকি। একজন মুসলিমের জন্য অন্যান্য ফরজ ইবাদতের মতো রোজা রেখে মহান প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জন করা আবশ্যক। ইসলামের মূল পাঁচটি ভিত্তির অন্যতম এটি। দ্বিতীয় হিজরিতে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন—‘হে ইমানদারগণ! তোমাদের প্রতি রোজা (রমজানের রোজা) ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের আগের লোকদের প্রতি ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের আবশ্যকীয় ইবাদত। সময়মতো নামাজ পড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কিন্তু সারা বছর ব্যাপী নামাজের সময় এক থাকে না। নগদ ইসলামিক অ্যাপে ইবাদত প্রতিদিন ফিচারে রয়েছে নামাজের সময়সূচি। যেকোন সময় নামাজের সময়সূচি দেখে নিয়ে নামাজ আদায় করুন সময়মতো।
আরও বাধ্যবাধকতা বোঝাতে অন্য আয়াতে ইরশাদ করেন—‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই এ মাস পাবে, সে যেন অবশ্যই রোজা রাখে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫) বরকতময় এ মাসে রোজা পালনকারীর মর্যাদাই আলাদা। অন্যান্য মাসব্যাপী রোজা রাখলেও রমজান মাসের একটি রোজার সমতুল্য হবে না।