জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বায়ুদূষণ ও জ্বালানি নিরাপত্তার হুমকি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: জৈব জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুতে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হচ্ছে— যা বায়ুর গুণগত মান নষ্ট করছে। তাই জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করা গেলে সবার জন্য নির্মল বায়ু এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণগুলোর মধ্যে ৭০ শতাংশ দায়ী জীবাশ্ম জ্বালানি। এ বিষয়ে সব পর্যায়ে সচেতন হতে হবে।

Manual1 Ad Code

শনিবার (১৭ জুন) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সেমিনার রুমে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এবং ওয়ার্ল্ড ভিশনের (বাংলাদেশ) আরবান প্রোগ্রামের যৌথ আয়োজনে ‘নির্মল বায়ু এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

Manual6 Ad Code

গোলটেবিল বৈঠকের সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল পরিবেশ উদ্যোগ, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট (বিএনসিএ) ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদারের সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর পরিচালক (অ্যাডমিন) মো. জাকির হোসেন।

Manual8 Ad Code

বৈঠকে মূল বক্তব্যে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জ্বালানি গবেষণা কেন্দ্রের (সিইআর) পরিচালক শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু কিছু চ্যালেঞ্জও আছে। বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসগুলোর মধ্যে প্রধানতম উৎস হলো— সোলার এবং বায়ুকল, এগুলোকে সঠিকভাবে গবেষণার মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস করতে হবে এবং এটা অর্জন করার জন্য কাজ করতে হবে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code