কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual6 Ad Code

সম্পাদকীয়: বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের একটি পূর্বশর্ত ঝুঁকিমুক্ত রানওয়ে। রানওয়ের ত্রুটির জন্য আগে একাধিক বিমান দুর্ঘটনার নজির আছে। সম্প্রতি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Manual5 Ad Code

রাজধানীর একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির রানওয়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে ঝাড়ু দিয়ে। এ পরিচ্ছন্নতার কাজে স্বয়ংক্রিয় তিনটি সুইপিং গাড়ি ব্যবহারের কথা থাকলেও সবকটি অকেজো হয়ে গ্যারেজে পড়ে আছে। এর মধ্যে দুটি গাড়ি আবার নষ্ট হয়ে গ্যারেজে পড়ে আছে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে।

Manual5 Ad Code

গত বছরের ডিসেম্বরে বিমানবন্দরটির নির্বাহী পরিচালক জরুরিভিত্তিতে দুটি অত্যাধুনিক সুইপার গাড়ি ক্রয়ের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) চিঠি দিলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। এমনকি এ নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথাও নেই। বিষয়টি উদ্বেগজনক।

জানা গেছে, বিষয়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করায় বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অরগানাইজেশনকে (আইকাও) চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা বলছে, একটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০-ইআর এয়ারক্রাফটের দাম ১২শ থেকে ১৫শ কোটি টাকা। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঝুঁকিপূর্ণ রানওয়ের কারণে যদি কোনো এয়ারক্রাফট দুর্ঘটনায় পড়ে সেজন্য সিভিল এভিয়েশন দায়ী থাকবে। আইকাও’র নিয়ম অনুযায়ী বিমানবন্দরের রানওয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হয়।

বিমানবন্দরের ক্যাটাগরি আপডেট করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরাও এরকম পরিস্থিতিকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন। তাদের মতে, বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের পর দ্রুতগামী সুইপিং গাড়ির মাধ্যমে রানওয়ে পরিষ্কার করাই নিয়ম। এছাড়া সপ্তাহে অন্তত দুবার ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ রেখে রানওয়ে ক্লিন করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে বেবিচকের পক্ষে এত বড় রানওয়ে ম্যানুয়ালি ঝাড়ু দিয়ে সচল রাখা সম্ভব নয়। তাছাড়া ঝাড়ু দিয়ে সব ধরনের আবর্জনা পরিষ্কার করাও সম্ভব নয়। উলটো এটি আরও বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code