এই সরকারের অধীনে অবাদ নির্বাচন হতে পারে না: ইইউ প্রতিনিধিদলকে জামায়াত

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual3 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না বলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছে বংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ প্রসঙ্গে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে দলটি বলেছে, এ দুটি নির্বাচনে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।

Manual1 Ad Code

আজ শনিবার বিকেলে ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তাদের গুলশানের দপ্তরে বৈঠক করেন জামায়াতের নেতারা। সেই বৈঠক শেষে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

Manual8 Ad Code

বেলা আড়াইটায় আবদুল্লাহ তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াতের চার সদস্যের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের প্রাক্–নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা ইইউর ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করে। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে আবদুল্লাহ তাহের সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় বৈঠকে অংশ নেওয়া জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. অধ্যাপক আবদুর রব উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল্লাহ তাহের বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান, স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কীভাবে করা যায়, এ ব্যাপারে মতবিনিময় হয়েছে।

এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না, এমন বক্তব্যের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আবদুল্লাহ তাহের আজ সিলেটে জামায়াতকে সমাবেশ করতে না দেওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘এখনই নির্বাচনের চার মাস আগে রাজনৈতিক দলগুলোকে মিটিং করতে দিচ্ছে না, আমাদের অফিস খুলতে দিচ্ছে না। এ রকম পরিস্থিতিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে—এটা আশা করার কোনো কারণ নেই। সরকার এখনই প্রমাণ করছে, তাদের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। আমরা সে কথাটি অত্যন্ত পরিষ্কার করে বলেছি।’

Manual5 Ad Code

জামায়াতের এই নেতা বলেন, তারা ইইউ প্রতিনিধিদলকে বলেছেন, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচন নজিরবিহীন প্রতারণার নির্বাচন ছিল। যেখানে ১৫৪ জন প্রার্থীকে নির্বাচনের দিনের আগেই নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছিল। আর ২০১৮ সালে নির্বাচনটি আগের রাতে হয়ে গেছে। এটা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি নতুন সংযোজন।

Manual8 Ad Code

আবদুল্লাহ তাহের বলেন, ‘সেই আলোকে আমরা বলেছি, আগামী যে নির্বাচন হবে, সেটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য, বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষা, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক হলেই আগামী দিনে বাংলাদেশ বাঁচার সম্ভাবনা আছে। সুতরাং কেয়ারটেকার সরকার অথবা নির্দলীয় সরকার, যে নামেই হোক একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, সরকার কিছুটা হলেও গণতান্ত্রিক হয়েছে অন্যের অধিকারের ব্যাপারে। কিন্তু সিলেটে গত রাতের (শুক্রবার) ঘটনায় আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদের এবং স্বৈরাচারের চিত্রই আমাদের সামনে আসছে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code