কম দামে মাংস বিক্রি: ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ, ভোক্তা অধিকার দিল ফুলের মালা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual1 Ad Code

জাতীয় ডেস্ক :

কম দামে মাংস বিক্রি করায় বাকি ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন শাহজাহানপুরের খলিল আহমেদ ও মিরপুরের উজ্জল। আজ রোববার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্য মাংস বিক্রেতারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম তাঁর বক্তব্যের একপর্যায়ে বলেন, ‘খলিল এত দিন মাংস বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা লাভ করেছে। দেখি সে কত দিন কম দামে মাংস দিতে পারে!’

সেমিনারে খলিল আহমেদ বলেন, মাংসের দাম বাড়ায় তিনি আগে দিনে দুই-তিনটি গরু জবাই করতেন। দাম কমিয়ে বিক্রি করায় এখন দিনে ৩০-৩২টি গরু জবাই করছেন। প্রতি কেজি মাংস তিনি ৫৯৫ টাকায় বিক্রি করছেন। প্রতিটি গরুতে ৫-৭ মণ মাংস হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

খলিল আরও বলেন, বিক্রি কমে যাওয়ায় তার লাভও কমে গিয়েছিল। এখন দাম কমিয়ে বিক্রি করায় তাঁর লাভ আগের মতোই হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

শাহজাহানপুরের খলিল ৫৯৫ টাকা ও মিরপুরের উজ্জল ৬০০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করায় অন্যান্য বাজারে বিক্রি অনেক কমে গেছে। খলিলের দোকানে লাইন ধরে লোকজন মাংস কিনছেন।

Manual8 Ad Code

কম দামে মাংস বিক্রি করায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে খলিল আহমেদকে ফুলের মালা দিয়ে সম্মানিত করা হয়। সভায় খলিল কম দামে মাংস বিক্রি করায় সেমিনার কক্ষে মাংস ব্যবসায়ীরা দফায় দফায় হইচই করেন। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তাদেরকে বারবার থামানোর চেষ্টা করেন।

সভায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে বলেন, খলিলের দোকানের মাংস মানসম্মত ও অন্যান্য দোকানের চেয়ে দামে অনেক কম। কম দামে বিক্রির বিষয়টি আদৌ সত্যি কি না, সে জন্য তিনি তার একজন সহকর্মীকে দিয়ে মাংস কিনিয়েছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে কম দামে মাংস বিক্রি হওয়ায় ভোক্তারাও খুশি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের পরিচালক ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন বলেন, তিনি যত দিন মাংস কিনেছেন। তত দিনই ঠকেছেন।

সভায় সিদ্ধান্তের বিষয় উল্লেখ করে পরিচালক বলেন, আগামী বুধবার বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন মাংসের দাম নির্ধারণে সভা করবে। বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান হোসেনের অফিসে বৈঠক হবে। সেখানে ব্যবসায়ীরা মাংসের দাম নির্ধারণ করে তা ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানাবেন। সেই সঙ্গে মাংস বিক্রি করলে অবশ্যই পাকা রশিদ সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code