পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার বাদিকে হুমকির অভিযোগ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual1 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলার বাদিকে হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন রাজশাহীর বাসিন্দা ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন নয়ন। ভুক্তভোগী আনোয়ার লিখিত বক্তব্যে বলেন, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার ষষ্টিতলা নিউমার্কেট, হোল্ডিং নং- ৪৩৩/৫ তার বাসা। তার বড় ভাই মো. আব্দুল মতিন রাজশাহীর একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। নগরীতে তাদের বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০২২ সালের দিকে আব্দুল মতিন বিদেশে চলে যান। যাওয়ার আগে নয়নকে তিনি সব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দিয়ে যান।

Manual3 Ad Code

আব্দুল মতিনের স্বাক্ষর করা বেশ কয়েকটি চেক চুরি করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মিনারুল হক মিঠু তার ভগ্নিপতি নুরুন্নবী পলাশের হাতে দেয়। পলাশ কয়েকটি চেকে প্রায় ৫ কোটি টাকা বসিয়ে মতিনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা করেন। আব্দুল মতিন বিদেশ থাকায় আমি (আনোয়ার হোসেন নয়ন) বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করি।

Manual5 Ad Code

ওই মামলায় নুরুন্নবী পলাশকে গ্রেফতার এবং কয়েকটি চেকের পাতা উদ্ধার করেন বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে অপর আসামি জামিন নিতে আদালতে গেলে তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এদিকে মামলার চার্জশিট দেওয়ার ঠিক আগমুহুর্তে গত ২৮ নভেম্বর বিকালে আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হেমায়েতুল ইসলাম আমাকে (আনোয়ার হোসেন নয়ন) এবং তিনজন সাক্ষীকে ডেকে পাঠান। নয়নের দাবি, তার অফিসে ঢুকতেই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, প্রতারণার এ মামলা তুলে না নিলে তোকে গুলি করে তোর হাতে অস্ত্র ধরিয়ে ক্রসফায়ার বলে চালিয়ে দিবো।

Manual8 Ad Code

নয়ন বলেন, এরপর থেকে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ ব্যপারে যোগাযোগ করা হলে আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হেমায়েতুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। মূলত নয়নের ভাই মতিন ‘এমটিএফই’ নামক অনলাইনে ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে গ্রাকদেরর শত শত কোটি টাক হাতিয়ে বিদেশ চলে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তারাও ক্ষতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ ব্যপারে কথা বলতেই তাদের ডাকা হয়েছিল। এখানে হুমকির কোন ঘটনা ঘটেনি।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code