নতুন বছর শুরু হোক ইবাদতের মাধ্যমে

লেখক:
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual3 Ad Code

ধর্ম ডেস্ক: ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে বিদায় নিল আরও একটি বছর। নতুন দিনের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হলো নতুন একটি বছর। অতীতের ঘরে জমা হওয়া দুঃখহতাশাক্ষোভভুলকে দূরে ঠেলে নতুনভাবে সামনে এগোনোর বার্তা নিয়ে হাজির ২০২৪। 

 

সময় ফুরিয়ে যায়। দিন শেষে রাত আসে, রাত শেষে আবার দিন। বছর ফুরিয়ে আবার নতুন বছর শুরু হয়। এভাবে একসময় জীবন ফুরিয়ে যায়। জীবনকে কাজে লাগানোই সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। 

 

Manual6 Ad Code

আগের বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে অনেকের অনেক রকম প্রস্তুতি চলছে। তবে ঈমানি চেতনা ঈমানদারদের নতুন বছরের আগমন ভিন্ন দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করতে অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অপার অনুগ্রহে আমরা নতুন বছরকে স্বাগত জানাব, আলহামদুলিল্লাহ। 

 

আমরা মুসলমানরা সৌর বছরের পাশাপাশি চান্দ্র বছরের মাধ্যমেও বছরের সূচনা করি। এই চান্দ্র পঞ্জিকা শুধু মুসলমান নয় বরং পৃথিবীর অনেক জাতি প্রাচীন যুগে চান্দ্র পঞ্জিকার মাধ্যমেই বছর শুরু করত।

Manual5 Ad Code

 

চীনা, হিন্দু এবং পৃথিবীর অনেক জাতিতে এই চান্দ্র পঞ্জিকার রীতি ছিল। ইসলামের পূর্বে আরবদের মাঝে দিনের হিসাব বা বছরের হিসাবের জন্য চান্দ্র পঞ্জিকার প্রচলন ছিল।

Manual5 Ad Code

 

যা হোক, বছর আসে আবার ১২ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তা শেষ হয়ে নতুন বছর শুরু হয়।

 

আল্লাহপাক কুরআন কারিমে ইরশাদ করেন: ‘নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধানে আল্লাহর নিকট মাস গণনায় মাস বারোটি’ (সুরা তাওবা, আয়াত: ৩৬) 

 

আল্লাহতায়ালা আরো ঘোষণা করেন: ‘তিনিই সূর্যকে তেজস্কর চন্দ্রকে জ্যোতির্ময় করেছেন এবং তাদের মঞ্জিল নির্দিষ্ট করেছেন, যাতে তোমরা বছর গণনা সময়ের হিসাব জানতে পারো। আল্লাহ এসব নিরর্থক সৃষ্টি করেন নি। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য তিনি সমস্ত নিদর্শন বিশদভাবে বিবৃত করেন’ (সুরা ইউনুস, আয়াত: )

Manual6 Ad Code

 

আর বর্ষবরণের নামে কোনো ধরনের অশ্লীলতাকে কোনো বোধসম্পন্ন সভ্য মানুষ সমর্থন করতে পারেন না। একজন প্রকৃত মুসলমানকে সামান্যতম পরোয়াও করা উচিত না যে, কে কি ভাববে। কেননা আল্লাহ পাকের কাছে আমার জবাব আমাকেই দিতে হবে। তাই অন্যের অনুকরণ করে এমন কিছু যেন না করি যার ফলে আল্লাহ নারাজ হবেন। 

 

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-‘যে অন্য জাতির সঙ্গে আচারআচরণে, কৃষ্টিকালচারে সামঞ্জস্য গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বিবেচিত হবে।’ (আবু দাউদ)

 

আমাদের নিজেদের কর্ম নিয়ে একটু তো চিন্তা করা উচিত যে, আমরা কি করছি? যেভাবে ইসলামী জাহানের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.) একবার মিম্বরে দাঁড়িয়ে তার খুতবায় এক ঐতিহাসিক উক্তি উপস্থাপন করেছিলেন, যা ইমাম তিরমিজি (রহ.) স্বীয় গ্রন্থ তিরমিজি শরিফ এবং ইমাম ইবনে আবি শায়বা (রহ.) স্বীয় গ্রন্থ মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বায় উল্লেখ করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code