

সাউথ এশিয়া ডেস্ক:
দক্ষিণ কোরিয়ায় মারাত্মক বিমান দুঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক। তিনি যখন সেখানে যান তখন তার দায়িত্ব নেওয়ার সময় ৪৮ ঘণ্টাও হয়নি। দায়িত্বগ্রহণের পরপরই এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটাতে রীতিমতো পরীক্ষার মুখে পড়েছেন ভারপ্রাপ্ত এই প্রেসিডেন্ট। তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু-এর অভিশংসনের পরই ভারপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন দেশটির অর্থমন্ত্রী চোই। সামরিক আইন জারির কারণে ১৪ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অভিশংসন এবং ক্ষমতা থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর পর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছিলেন হান। পরে তাকেও অভিশংসিত করা হয়।
এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশে রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে আরও একটি বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ালো জেজু এয়ারের ফ্লাইট ৭সি২২১৬ এর দুর্ঘটনাটি। রবিবার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি প্রাচীরের সঙ্গে উড়োজাহাজটির ধাক্কা লেগে বিস্ফোর ঘটে। এতে ১৮১ যাত্রীর অধিকাংশই নিহত হয়েছেন।
এই দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চোই। এটিকে একটি বিশেষ দুর্যোগ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি।
চোই বলছিলেন, ‘শোকাবহ পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সরকার এই দুর্ঘটনা থেকে পুনরুদ্ধার ও এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।’