ডেস্ক রিপোর্ট : যুদ্ধকালীন এলিয়েন এনিমিয অ্যাক্ট প্রয়োগ করে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের বিষয়ে, আদালতের আদেশ অমান্য করবে না ট্রাম্প প্রশাসন। এ কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বর্ডার যার টম হোম্যান। গত ১৬ মার্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, ১৭৯৮ সালের বিতর্কিত ‘এলিয়েন এনিমিয অ্যাক্টে’র আওতায়; ভেনেযুয়েলার দুই শতাধিক অবৈধ অভিবাসীকে এল সালভাদরে পাঠায় ট্রাম্প প্রশাসন। যা নিয়ে এখনো আইনি লড়াই চলমান। এক সপ্তাহ ধরে ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল বিচারক জেইমস বোসবার্গ নির্নয় করার চেষ্টা করছেন, ওই অভিবাসীদের ফ্লাইট ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তার দেয়া আদেশ অমান্য করেছে কিনা।
এই মামলা প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বর্ডার যার টম হোম্যান গত সপ্তাহে বলেছিলেন, বিচারক কী ভাবলো তা তিনি পরোয়া করেন না। রবিবার এবিসি নিউজের অনুষ্ঠানেও একই অবস্থানের কথা জানান তিনি। এসময় হোম্যান দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের আদেশ অমান্য করবে না। হোম্যান দাবি করেন, আইনি ক্ষমতাবলেই ভেনেযুয়েলার ওই অভিবাসীদের দেশ থেতে বিতাড়িত করা হয়েছে। বিতাড়িত ওই অভিবাসীদের সবাই চিহ্নিত অপরাধী সংগঠনের সদস্য বলেও দাবি করেন হোম্যান। অন্যদিকে, রিপাবলিকান সেনেটর ও সেনেট হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির চেয়ার র্যান্ড পল বলেন- সুপ্রিম কোর্ট শেষ পর্যন্ত এলিয়েন এনিমিয অ্যাক্টের অধীনে গণ বিতাড়ন প্রক্রিয়া বহাল রাখবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী নীতির প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি, আদালতের ভূমিকার গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন, র্যান্ড পলর্যান্ড পল আরো বলেন, একজন ডিসট্রিক্ট জাজ পুরো দেশের কোনো বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন কিনা সে বিষয়টিরও সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। তিনি প্রত্যাশা করছেন, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে উঠলে, সর্বোচ্চ আদালত এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দেবে। সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর আঙ্কুশ কারডরি বলেন, বিচারক বোসবার্গকে নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের যে অবস্থান, তা বিচার ব্যবস্থার জন্য অবমাননাকর। তবে, একারণে ট্রাম্পকে অভিশংসন করা যাবে না বলেই মনে করেন তিনি। একই অভিমত ব্যক্ত করেন, আরেক সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর বেরিট বারগারও।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।