

ডেস্ক রিপোর্ট :: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার সবকটি হাট-বাজারে রমজানের শুরু থেকে বেড়েছে কাঁচামালসহ নিত্যপণ্যের দাম।
দাম বেড়ে যাওয়ায় বাজারে জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে গরিব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। চাল, ডাল, ছোলা, রসুন, পেঁয়াজ, আলু থেকে শুরু করে সব ধরনের পণ্যই বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা বেশি দরে। কোনো কোনো পণ্যের ক্ষেত্রে দাম বেড়েছে তার চেয়েও বেশি।
দু-তিন দিনের মাথায় বাজারের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে ক্রেতাদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
পাথরঘাটা পৌরশহরের কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৭০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, আলু ১৮ টাকা, পেঁয়াজ ২৮ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি ও কাঁচা কলা ৩০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। পাথরঘাটায় চালের দাম গত দু-তিন দিনের ব্যবধানে কেজিতে অন্তত দুই টাকা হারে বেড়েছে। বেড়েছে মাছ মাংসের দামও।
এই বাজারে রুই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা, কাতল ২৮০ টাকা, শিং মাছ ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৮০০ টাকা, শোল মাছ ৫০০ টাকা কেজি, এক কেজি সাইজের ইলিশ এক হাজার ৩০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৯০০ টাকা ও ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা কেজি। অন্যদিকে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা হারে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজি দরে। খাসির মাংস ৭৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৭০, সোনালি মুরগি ২৭০, দেশি মুরগি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
পৌর শহরের আল্লাহর দান স্টোরের মালিক মো. ইউনুস বলেন, রোজার আগের দিন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল দোকানে। মুসলমানরা অন্তত এক সপ্তাহের রোজার বাজার করে নিয়েছেন। তবে খেটে খাওয়া মানুষ নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে অসহায় বোধ করছেন।
প্রতি বছর রমজান আসলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যায়। এতে করে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পোহাতে হয় মধ্যবিত্তদের।
ক্রেতাদের অভিযোগ বাজারে মনিটারিং ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো জিনিসের দাম বাড়িয়ে চলেছে। তাছাড়া বাজারে মূল্য তালিকার চার্ট না থাকার ফলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে। সচেতনমহল এ বিষয়ে প্রশাসনের মনিটরিংয়ের পাশাপাশি আশু কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।