আরেকটি ‘সাইকস-পিকট তন্ত্র’ মানব না, কিসের হুঁশিয়ারি দিলেন এরদোয়ান

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান মধ্যপ্রাচ্যে একটি ‘নতুন সাইকস-পিকট তন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইস্তাম্বুলে ওআইসির সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে এরদোয়ান বলেছেন, ‘রক্ত দিয়ে নতুন সীমান্ত টেনে আমাদের অঞ্চলে একটি নতুন সাইকস-পিকট ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অনুমতি আমরা দেব না।’

উল্লেখ্য, সাইকস-পিকট চুক্তি ছিল ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে একটি গোপন চুক্তি। এর উদ্দেশ্য ছিল অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলোকে ব্রিটিশ ও ফরাসি প্রভাববলয়ে ভাগ করে নেওয়া। এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অনেক সীমানার ভিত্তি স্থাপন করে, যাকে বিভিন্ন আরব দেশ দ্বারা ঔপনিবেশিক হস্তক্ষেপের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

Manual6 Ad Code

এরদোয়ান বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ইরানি জনগণের স্থিতিস্থাপকতা ও সহনশীলতার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ইরানি জনগণ তাদের ঐক্য ও শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এই কঠিন দিনগুলো পার করতে পারবে।’

Manual3 Ad Code

এরদোয়ানের এই হুঁশিয়ারির কারণ—সাইকস-পিকট চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীলতার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এরদোয়ান। তিনি বিশ্বাস করেন, বাইরের শক্তির দ্বারা চাপানো এই কৃত্রিম সীমানাগুলো এই অঞ্চলে বিভেদ ও সংঘাতের জন্ম দিয়েছে। চলমান ইসরায়েল-ইরান সংঘাতকে এরদোয়ান একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার অংশ হিসেবে দেখছেন, যা নতুন করে ক্ষমতাবিন্যাসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তিনি আশঙ্কা করছেন, এই সংঘাতের সুযোগ নিয়ে কিছু শক্তি নিজেদের স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে।

Manual1 Ad Code

এরদোয়ান ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তারা ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং অন্যান্য আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। তিনি মনে করেন, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন ও ইরানের মতো দেশগুলোতে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে আরও বেশি সংহতি প্রয়োজন।

Manual2 Ad Code

ডেস্ক: আর

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code