গাজা যুদ্ধবিরতিতে সংযমের আহ্বান: মিয়ামি বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ চার দেশের যৌথ বার্তা

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : বিবদমান পক্ষগুলোর প্রতি গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো মেনে চলার এবং সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, মিশর ও তুরস্ক। শনিবার মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এ আহ্বান জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত উইটকফের সঙ্গে চার দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠক করে ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ নিয়ে পর্যালোচনা করেন।

Manual7 Ad Code

এই বৈঠক শেষে উইটকফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা প্রেসিডেন্টের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার পুরোপুরি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি এবং সব পক্ষকে তাদের দায়িত্ব পালনে সংযম দেখাতে ও এই পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

Manual2 Ad Code

এই বৈঠক এমন সময় হলো, যখন চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শুক্রবার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে ছয় জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ৪০০-তে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ইসরাইল ও হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ অব্যহত রেখেছে।

Manual3 Ad Code

দেশটির সেনাবাহিনীর এক তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের পর থেকে গাজায় তাদের তিন জন সেনা নিহত হয়েছে। বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে কিছু অগ্রগতির কথা উল্লেখ করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে— মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি, জিম্মিদের লাশ ফেরত, আংশিক সেনা প্রত্যাহার ও সহিংসতা হ্রাস।  পাশাপাশি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে নির্ধারিত অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দ্রুত গঠন ও কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয় এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে আগামী সপ্তাহগুলোতে তাদের মধ্যে আলোচনা চলবে বলে জানানো হয়।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরায়েলকে গাজায় অবস্থান থেকে সরে যেতে হবে, হামাসের পরিবর্তে একটি অন্তর্বর্তীকালীন কর্তৃপক্ষ অঞ্চলটি পরিচালনা করবে এবং সেখানে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।  শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, তিনি আশা করেন যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই বাহিনীতে সেনা পাঠাবে।  তবে তিনি হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, তা না হলে, পুরো প্রক্রিয়াই ভেঙে পড়তে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code