

আপনি জানেন, এমন অসংখ্য মানুষ ফেইসবুক চালায়, যারা মাসেও একদিন ভালো খাবার খেতে পারে না; অনেকে কয়েক মাসেও পারে না। আপনার এসব মুখরোচক খাবারের ছবি মানুষকে কী পরিমাণ কষ্ট দেয়, তা কি ভেবেছেন কখনো?
.
হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাচ্চাদেরকে খাবার দিয়ে বাইরে বের হতে দিতে নিষেধ করেছেন, না হয় প্রতিবেশীর সন্তানেরা এই খাবার দেখে কষ্ট পাবে (তাবারানি)।
নবীজি (সা:) তাঁর সাহাবী আবু যর (রা.)-কে বলেছিলেন, “তুমি তোমার তরকারিতে ঝোল বাড়িয়ে দিও, যাতে প্রতিবেশীদেরও দিতে পারো।” (সহিহ মুসলিম: ২৬২৫)
আপনার কোন কাজে, কথায় বা আচরণে মানুষ কষ্ট পেলে তার দায় আপনাকে নিতে হবে। ইসলাম আমাদের দিয়েছে এক অসাধারণ ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা।তাই সামর্থ থাকার পরও আপনাকে সাধারণ খাবার খেতে বাধ্য করা হচ্ছে না, তবে আপনাকে বলা হচ্ছে, আপনি আপনার উৎকৃষ্ট খাবারকে গোপনে খান, মানুষকে দেখিয়ে বেড়াবেন না।
.
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হলো,বদনজর!রসূল (স) বলেছেন,বদনজর সত্য (সহীহ মুসলীম,ইবনে মাজাহ)।ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করতেন এভাবে : “আমি তোমাদের দু’জনের জন্য আল্লাহ্র পূর্ণাঙ্গ কালেমাসমূহের মাধ্যমে প্রত্যেক শয়তান ও বিষাক্ত প্রাণী হতে এবং সকল প্রকার বদনজর হতে মুক্তি চাইছি” (আবু দাউদ)।