

নব-নিযুক্ত পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ২০২০ সালে বিভিন্ন দেশে মুজিব বর্ষ উদযাপনে মনোযোগ দেবেন উল্লেখ করে রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিনি সদর দফতর ও বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোর মধ্যে জোরালো টিমওয়ার্ক কামনা করেছেন।
বুধবার তার দফতরে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, ‘এ বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মুজিববর্ষ উদযাপন। আমরা এ উপলক্ষে দেশে-বিদেশে সব অনুষ্ঠান দক্ষতার সঙ্গে অনুষ্ঠানের পক্ষে কাজ করবো।’
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের ৭০-৭৫টি মিশনের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগ বজায় রাখতে মন্ত্রণালয়ে একটি শক্তিশালী টিম গঠন করা হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ অসাধারণ অগ্রগতি অর্জন করায় বিশ্ব এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে বলে প্রত্যাশা করে।
মাসুদ বলেন, তিনি আজ সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি ২০২০ সালে বাণিজ্য-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্দেশনা লাভ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, মুজিববর্ষ ছাড়াও বাংলাদেশ ডি-৮ ও বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গা ইস্যুকে সামনে রাখতে বাংলাদেশকে প্রকাশ্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বেশ সময় দিতে হবে। এ ইসুতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখতে তিনি সংবাদ মাধ্যম, এনজিও, সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে সেটি নিশ্চিত করাই হবে আমাদের মূল টার্গেট। তাদের প্রত্যাবাসনের কথা মনে রেখে আমরা সকল ক্ষেত্রে কাজ করবো।’ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে।
দুদেশের সম্পর্কের গভীরতা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এমনকি আজও দুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। ভারতের জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধন ইস্যুকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।-বাসস