মডার্নার ইবোলা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে কানাডা

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: ইবোলা ভাইরাসের বান্ডিবুগিও ধরন প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মডার্নার তৈরি টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরুর অনুমোদন দিয়েছে কানাডা। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার এ ঘোষণা দিয়েছে।মন্ত্রণালয় জানায়, এমআরএনএভিত্তিক টিকার প্রথম ধাপের(ফেজ-১) এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সম্ভাব্য টিকাটির নিরাপত্তা যাচাই করা হবে। পাশাপাশি উপযুক্ত ডোজের মাত্রা নির্ধারণ এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা হবে।কানাডার মন্ট্রিয়ল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

Manual1 Ad Code

এ পর্যন্ত কানাডায় ইবোলায় আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।এই ট্রায়ালের অংশ হিসেবে একদল সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীকে টিকার একটি ডোজ দেওয়া হবে, যাতে বুন্ডিবুগিও ধরনটির বিরুদ্ধে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা যায়।প্রাথমিক ফল ইতিবাচক হলে, টিকাটি আরও বৃহৎ পরিসরে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে পরবর্তী ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাবে।

Manual3 Ad Code

এই টিকাটি একই এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, যা মডার্নার কোভিড-১৯ টিকা তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়েছিল।কানাডা গত ২০ জুলাই কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) থেকে সম্প্রতি আসা সব বিদেশি নাগরিকের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে। একই সঙ্গে দেশটি নিজস্ব ভূখণ্ডে এই টিকা উৎপাদনের জন্য মডার্নার সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে।

Manual2 Ad Code

গত ১৫ মে ঘোষিত ইবোলা প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বান্ডিবুগিও ধরনের বিরুদ্ধে বর্তমানে অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই।তবে, এ ধরনের আরও কয়েকটি সম্ভাব্য টিকা বর্তমানে উন্নয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক বলে যে টিকার কথা বলেছে, সেটির নাম আরভিএসভি বান্ডিবুগিও। এটি সিঙ্গাপুরভিত্তিক হিলম্যান ল্যাবরেটরিজ তৈরি করছে।

এদিকে, জুলাইয়ের শেষ দিকে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি বান্ডিবুগিও ধরনের আরেকটি টিকার প্রথম ডোজ একজন স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। এই টিকায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ টিকায় ব্যবহৃত একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

ডব্লিউএইচওর সুপারিশ অনুযায়ী, সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোরও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।শরীরের বিভিন্ন তরলের সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং রক্তক্ষরণজনিত জ্বর সৃষ্টি করা ইবোলা ভাইরাসে মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code