রপ্তানিতে অতিরিক্ত সহায়তা পেতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্রশিল্পের শর্ত

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual4 Ad Code

এক অর্থবছরে ৫০ লাখ ডলার মূল্যের বস্ত্র বা বস্ত্রসামগ্রী রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্রশিল্প হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এসব প্রতিষ্ঠান কোনো বৃহত্ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকতে পারবে না। তাহলেই পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা পাবে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ হতে এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের (নিট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত সব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হবে। তবে বর্তমানে যেসব উত্পাদনকারী-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এক অর্থবছরে পাঁচ মিলিয়ন (৫০ লাখ) পর্যন্ত মূল্যের বস্ত্র বা বস্ত্রসামগ্রী রপ্তানি করবে এবং কোনো বৃহত্ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন নয় সেসব প্রতিষ্ঠান পরবর্তী অর্থবছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্রশিল্প হিসেবে সংজ্ঞায়িত হবে।

Manual7 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

আরো স্পষ্ট করার জন্য বলা হয়েছে, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কোনো অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ শূন্য হলে পরবর্তী অর্থবছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ সহায়তার আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে না। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়, তৈরি পোশাক রপ্তানির বিপরীতে এক শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেবে সরকার।

Manual5 Ad Code

 

২০১৯-২০ অর্থবছরে জাহাজীকরণ করা তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে এই সহায়তা দেওয়া হবে। সেসময় বলা হয়েছিল, তৈরি পোশাকের রপ্তানিতে স্থানীয় মূল্যসংযোজনের হার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ হতে হবে। এ সুবিধা এবং ডিউটি ড্র-ব্যাক-বন্ড সুবিধা যুগপত্ভাবে গ্রহণ না করার শর্ত প্রযোজ্য হবে না। ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় রপ্তানির বিপরীতে বিশেষায়িত অঞ্চলে (ইপিজেড, ইজেড) অবস্থিত টাইপ-সি (দেশীয় মালিকানাধীন) প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। নিজস্ব কারখানায় উত্পাদিত তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নিট এফওবি মূল্যের ওপর এক শতাংশ হারে উত্পাদনকারী-রপ্তানিকারক বিশেষ নগদ সহায়তাপ্রাপ্য হবে।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code