নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৩’ উদ্যাপন: কনস্যুলেট প্রবাসীদের দ্রুত সেবা প্রদানে বদ্ধপরিকর

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago

Manual2 Ad Code

পজিটিভ নেটওর্য়াক ইউএস নিউইয়র্ক :

Manual5 Ad Code

“প্রবাসীদের কল্যাণ, মর্যাদা-আমাদের অঙ্গীকার; স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় তারাও সমান অংশীদার” প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে ২৯ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৩’ উদ্যাপন করা হয়। দিনের শুরু থেকেই কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তাসহ আগত সেবা প্রার্থীদের অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানান। দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এ উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে প্রাপ্ত একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

Manual4 Ad Code

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় কনসাল জেনারেল কনস্যুলেটে আগত সকল সেবাপ্রার্থীকে জাতীয় প্রবাসী দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। নিউইয়র্ক কনস্যুলেট কর্তৃক প্রদত্ত কনস্যুলার ও কল্যাণ সেবার সংখ্যা ও মানের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেটসমূহ প্রবাসীদের দ্রুত সেবা প্রদানে সচেষ্ট ও বদ্ধপরিকর বলে তিনি মন্তব্য করেন। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধিও অংশগ্রহন করেন।

কনসাল জেনারেল আরও বলেন অভিবাসীরা বাংলাদেশে রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করার পাশাপাশি আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি কনস্যুলেটে আগতদের বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে রেমিটেন্স প্রেরণের আহবান জানান। বৈধ উপায়ে রেমিটেন্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন প্রণোদনার বিষয়ে তিনি সকলকে অবহিত করেন। বাংলাদেশ সরকার প্রবর্তিত পেনশন স্কীমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্যও তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

Manual1 Ad Code

বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের ধারাকে আরো বেগবান করার জন্য প্রবাসীদের অধিকতর বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়নসহ সার্বিক আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে আরো জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন কনসাল জেনারেল। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের কাছে সক্রিয়ভাবে তুলে ধরার আহবান জানান।

কনস্যুলেটে আগত সেবা প্রার্থীদের ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে মিষ্টিমুখ করানো হয়। উপস্থিত সেবাপ্রার্থীরাও এ উপলক্ষ্যে তাদের অভিমত এবং অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সেবাপ্রার্থীরা কনস্যুলেটের সেবায় তাঁদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে এ বিশেষ আয়োজনের জন্য কনস্যুলেটকে ধন্যবাদ জানান।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code