সাপাহারে ধান নিয়ে কৃষকের উৎকন্ঠা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
শ্রমিক সংকট না থাকলেও সঠিক সময়ে ক্ষেতের ধান না পাকা এবং বৈস্কিক করোনা ভাইরাসের প্রভাবে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বোরো চাষীদের উৎপাদিত ধান ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।
খোজ নিয়ে জান গেছে জেলার খাদ্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁর সাপাহার সাথে পোরশ ও দক্ষিনাঞ্চলের চাপাই নবাবগঞ্জে ভোলাহাট এলাকা পুর্নভবা নদী ও বিল বেল্ট এলাকা হওয়ায় সাধারণত প্রতিবছর এঅঞ্চলের কৃষকরা তাদের জমিতে একটু পরেই বোরো ধান চাষাবাদ করে থাকে এবং দেশের অন্যন্য এলাকার তুলনায় এই এলাকায়একটু পরেই ধান কাটা মাড়া শুরু হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে কালবৈশাখীর এই সময়ে আকাশে কাল মেঘের ঘনঘাটা ও শীলা বৃষ্টির সম্ভাবনায় তারা দারুণ উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন। এখনও সাপাহারে মাঠে বোরো ধান ভাল করে পাকেনি ধান পেকে কাটার উপযুক্ত সময় হতে আরো ১০/১২ দিন লেগে যাবে। এরই মধ্যে কালবৈশাখীর ভয় ও মরণ ব্যাধী করোনা ভাইরাসের সংক্রমন কৃষক কুলকে বেশ ভাবিয়ে তুলেছে। কাঁচা ধান কাটতে না পেরে তারা প্রতিনিয়ত মাঠে গিয়ে ঘোরা ফেরা করে সময় কাটাচ্ছে, ভয় শুধু শিলা বৃষ্টি আর তলিয়ে যাওয়ার। বড় ধরনের বর্ষন হলে অধিকাংশ নিচু এলাকার ধানের মাঠগুলি পানির তোড়ে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সাপাহারে এখনও শ্রমিক সংকট না থাকলেও ক্ষেতের কাঁচা ধান নিয়ে কৃষককুল দারুন উৎকন্ঠায় দিনাতিপাত করছে। শেষ পর্যন্ত তারা ক্ষেতের ধান কেটে গোলায় উঠাতে পারবেন কিনা তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায়র মধ্যেও রয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা গেছে, সাপাহার উপজেলায় এবারে মোট ৫,৫০০ হে: জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করা যাচ্ছে। বর্তমানে মাঠে মাঠে সোনালী ফসলের ক্ষেতে সবুজ আকারের ধানের শীষ বাতাসে দোল খেতে দেখা যাচ্ছে। কৃষি অফিসের মতে সাপাহারে শ্রমিকের তেমন কোন সংকট নেই তার পরেও তারা ৪টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে কৃষকে সহযোগীতা করবে বলে জানিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে সাপাহারে এবার বোরো চাষাবাদে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আর ১০/১২ দিনের মধ্যেই সাপাহারে পুরো দমে বোরো কাটামাড়াই এর কাজ শুরু হবে বলেও কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া ১৫ এপ্রিল থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই খাদ্যশস্য সরকারীভাবে কেনা হবে বলে সরকারের ঘোষনা পত্র পাওয়া গেছে। এতেকরে কৃষকরাই লাভবান হবেন এবং তারা ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবেন বলে কৃষি দপ্তর জানিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code