

মাশরাফি বিন মর্তুজার অবসরের বিষয়ে বলটি এখন তার কোর্টেই পাঠিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ২০১৯ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পর থেকেই মাশরাফির অবসর নিয়ে চলছে নানান জল্পনা কল্পনা। যার অবসান ঘটালেন বিসিবি প্রধান।
আজ রবিবার সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাপন সাংবাদিকদের বলেন, ‘কখন অবসর নেবেন তার সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার নিশ্চয় মাশরাফির রয়েছে।’ একই সময় তিনি এটিও বলেন যে, ‘২০২৩ বিশ্বকাপের দিকে তাকিয়ে দলের পরবর্তী অধিনায়ক চুড়ান্ত করবে বোর্ড।’ আগামী ৮ মার্চ মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে বোর্ড সভা।
পাপন বলেন, ‘দলনেতা কে হবেন সেটি চুড়ান্ত করবে বোর্ড। তারা যাকে ভাল কাজ করবে বলে মনে করবেন তাকেই দলনেতা নির্বাচিত করবেন। আর কখন অবসর নেবেন সেই সিদ্ধান্ত নিবেন মাশরাফি নিজে। বিষয়টি তার উপরই ছেড়ে দিন।’
অবশ্য বিশ্বকাপের পরেই মাশরাফিকে অবসরে দেখতে চেয়েছিল বিসিবি। মাশরাফির নেতৃত্বাধীন টাইগার দল অষ্টম স্থানে থেকে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করে। অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির পারফরমেন্স ছিল একেবারেই খারাপ। আট ম্যাচ থেকে একটি মাত্র উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
যদিও বিসিবির ইচ্ছা পূরণ করেননি মাশরাফি। ঘোষণা দেননি অবসরের। এ সময় অবশ্য কুচকির ইনজুরির কারণে শ্রীলংকায় ওডিআই সিরিজে অংশ নেননি তিনি। শুধু মাত্র ওয়ানডে ক্রিকেটে থাকা মাশরাফি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বর্তমান সিরিজের আগে নিকট অতীতে আর কোনো ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নেননি।
তবে এই সময় একটি হোম সিরিজ আয়োজনের মাধ্যমে মাশরাফিকে জমকালো বিদায় জানানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি। এরপর থেকে তার অবসরের বিষয়টি বার বার উঠে এসেছে গনমাধ্যমের শিরোনামে। জবাবে মাশরাফি সেটি প্রত্যাখ্যান করে খেলা চালিয়ে যাবার কথা জানিয়ে দেন।
পরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের এই সিরিজেরর জন্য বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফিকে অন্তর্ভুক্ত করে বিসিবি। আর পাপন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে অধিনায়ক হিসেবে এটিই হচ্ছে মাশরাফির শেষ সিরিজ। এরপর সাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে দলে ঢুকতে হলে তাকে যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বাসস।