

ডেস্ক রিপোর্ট : চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার জন্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউযে ক্যাবিনেট বৈঠকে তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে। যার জন্য পরবর্তী তিন মাসেও জিডিপির হার কমতে পারে। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের ১০০ দিন পূর্ণ করার পর, প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে অংশ নিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন- তাঁর প্রশাসনের প্রথম ১০০ দিন অ্যামেরিকার ইতিহাসের অন্যতম সফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, তাঁর প্রশাসনের কার্যক্রম কেবল শুরু হয়েছে এবং সবকিছু দারুণ চলছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে জিডিপির হার কমার জন্য তিনি দায়ী নন বলে, দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন। শেয়ারবাজার ধসের দায় নিতেও অস্বীকৃতি জানান প্রেসিডেন্ট। তাঁর শুল্ক নীতি এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি বলে, উল্লেখ করেন তিনি। চায়নার ওপর তিনি উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করতে চাননি জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, এর জন্য চায়নাই দায়ী। তবে, দেশটির সঙ্গে একটি ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে এখনো আশাবাদী তিনি।
অ্যামেরিকায় চায়নার পণ্য আমদানি না হলে, বড় কোনো সমস্যা হবে না বলে, মনে করেন ট্রাম্প। তার মতে, চায়না থেকে অ্যামেরিকায় আসা বেশিরভাগ পণ্যই অপ্রয়োজনীয়। তাই বাণিজ্য যুদ্ধে দেশটিকেই বেশি ভুগতে হবে। যেকোনো দেশের তুলনায় চায়না অ্যামেরিকাকে সবচেয়ে বেশি ঠকিয়েছে বলে, মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া ট্রাম্প জানান, ক্যানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি অ্যামেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহী। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটন সফর করবেন কার্নি। এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, এল স্যালভাদরের কারাগারে পাঠানো মেরিল্যান্ডের বাসিন্দা কিলমার আব্রেগো গার্সিয়াকে, দেশটি ফেরত দেবে কি না, তা তাঁর জানা নেই।
ক্যাবিনেট বৈঠকে ট্রাম্প তাঁর ধনকুবের মিত্র ইলন মাস্কের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ইলন মাস্কের যতদিন ইচ্ছা ট্রাম্প প্রশাসনে কাজ করতে পারবেন। পর পর দুবার পেন্টাগনের গোপন আলোচনা ফাঁস হওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা, ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথকে রসিকতা কোরে ক্যাবিনেটের সবচেয়ে কম বিতর্কিত সদস্য বলে উল্লেখ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।