

হাসান আলী :::
বর্তমানে আমেরিকা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম ইমিগ্রান্ট সম্বন্ধে এইসব দেশের মিডিয়া ও বর্ণবাদী গ্রুপ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রচারে ব্যস্ত ৷ নিউজিলান্ডের মসজিদে ৫০ জন মুসলমান হত্যা তাহা স্পষ্ট করেছে ৷ প্রকৃত মুসলমান কখনও সন্ত্রাসী হতে পারে না ৷ সন্ত্রাস সম্ভন্ধে কোরানের স্পষ্ট ঘোষনা একজন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা সম্পূর্ণ মানব জাতিকে হত্যা করার সমান ,সূরা মায়েদা-৩২ ৷আমেরিকা ও ইউরোপ তালেবান, আলকায়েদা সর্বশেষে প্রেসিডেন্ট ওবামা সিরিয়ার আসাদ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সড়ানোর জন্য আই এস সৃষ্টি করে ছিলেন ৷এই বিষয়ে সবাই জানেন ৷ মাঝে মাঝে আমেরিকান সরকারী খরচে বিপথগামী কিছু মুসলিম যুবককে হায়ার করে মুসলিম সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যায়িত করেছে ৷ ১৯৯০ সালের দিকে কুয়েত ও ইরাক যুদ্ধের সময় নিউইয়র্কের কিছু মসজিদে পুলিশ ও এফবিআই সদস্য জুতা ও কুত্তা নিয়ে প্রবেশ করায় মুসলিম লিডারা নিউইয়র্কে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে এশিয়ান আমেরিকান এডভাইজারী কাউন্সিল গঠন করি ১৯৯১ সালে ৷ আমি হাসান আলী বাংলাদেশী আমেরিকানদের কো -চেয়ারম্যান ছিলাম ৷ প্রতি মাসে মিটিং করে মুসলমানদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করতে চেষ্টা করেছি ৷ ডাঃ এম এম বিল্লাহ সহ আরও অনেক এই কমিটিতে ছিলেন ৷ পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কমিউনিটি এফেয়ার্সের ডেপুটি কমিশনার মিস হলিডে আমাদের চেয়ারম্যান ছিলেন ৷তখন মেয়র ছিলেন ডেভিড ডিন্কিন্স ৷কমিটি ১৯৯১-১৯৯৩ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল ৷নিউইয়র্ক সিটির পুলিশের সংখ্যা হল ৩৮,৪৪২ জন , এছাড়াও অক্সিলারী পুলিশ অফিসার ৪৫০০, স্কুল সেফটি এজেন্ট ৫,০০০, ট্রাফিক ইনফোর্সমন্ট এজূন্ট ২,৩০০ এবং ৩৭০ জন ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট সাপারভাইজার ৷পুলিশ প্রিসেন্ট(স্টেশন)৭৬টির মত ৷ বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ অফিসার ২৫৮ জন এর মধ্যে মহিলা অফিসার ১২ জন ৷একজন ক্যাপটেন খন্দকার আব্দুল্লাহ , অন্যজন বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন সাঈদ আলী ( আমার ভাতিজা) ৷ যুব সমাজের প্রতি এখন আমার আবেদন বর্তমানে মেয়রের সাথে আলোচনা করে পুলিশ কমিশনারের সহায়তায় আবার এডভাইজারী কাউন্সিল গঠন করে প্রতি মাসে মাসে মিটিং করে মুসলমানদের নিরাপত্তার বিষয়ে এগিয়ে আসবেন ৷বর্তমানে ৪০০শতের মত মসজিদ নিউইয়র্ক সিটিতে সম্পূর্ণ আমেরিকায় ৩ হাজারের মত মসজিদ আছে ৷ প্রত্যেকটি সিটিতে মুসলিম যুব সমাজ মিলে পুলিশ এডভাইজারী কাউন্সিল গঠন করে মুসলমানদের নিরাপত্তা বিষয় অবদান রাখার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি ৷ নিউইয়র্ক সিটির ডেমোক্রেটিক লিডার এটর্ণী মঈন চৌধুরী , বিশিষ্ট আইনজীবী Mohammed N.Mujumder ও ফখরুল ইসলাম দেলওয়ার সাহেবকে এগিয়ে আসার আবেদন জানাচ্ছি ৷ প্রয়োজনে আমি হাসান আলী আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে সহযোগিতা করব ইনশাল্লাহ ৷ আমেরিকা ইমিগ্রান্ট কান্ট্রি, এখানে সবার সমান অধিকার ৷ আল্লাহ আমাদের সহায় হউন ৷
ফটোঃনিউইয়র্ক সিটির পুলিশ কমিশনার জেমস ও’নীল ও হাসান আলী , ব্রংকস এর একটি অনুষ্ঠানে
হাসান আলী, আহবায়ক আমেরিকান মুসলিম পলিটিকেল একশন কমিটি ৷