আস্থা অর্জনে ইসির কার্যকর ভূমিকা জরুরি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual4 Ad Code

সম্পাদকীয়: সোমবার ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হলেও মাত্র ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট পড়ায় তিনি অনেকটা ফাঁকা মাঠে জয় পেয়েছেন বলা যেতে পারে। তবে আলোচনার বিষয় হচ্ছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে মোট ভোটারের ৮৮ দশমিক ৪৯ শতাংশই ভোট দিতে আসেননি।

Manual4 Ad Code

এটা কি শুধু সংসদ-সদস্য পদ স্বল্পমেয়াদি হওয়ার কারণে? নাকি পরিবেশ ও ফলাফল নিয়ে ভোটারদের মধ্যে সংশয় কাজ করেছে? বলাবাহুল্য, বর্তমান কমিশনের জন্য এটাই ছিল প্রথম শতভাগ স্বচ্ছ ব্যালটে অনুষ্ঠিত ভোট। এতে তারা শতভাগ সফল বলে দাবিও করেছেন। তবে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে তাকে যেভাবে হামলার শিকার হতে হয়েছে, তার দায় কমিশন এড়াতে পারে কি?

Manual7 Ad Code

উল্লেখ্য, বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে নৌকার ব্যাজধারী বেশকিছু লোক হিরো আলমের ওপর চড়াও হয়। হামলাকারীরা যখন তাকে সড়কে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি-লাথি মারছিল, তখন পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে থাকলেও তাদের এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। এ অবস্থায় হিরো আলম ও তার সমর্থকরা ওই স্থান থেকে কোনোমতে দৌড়ে পালান। পরে আহতাবস্থায় তাকে রামপুরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Manual5 Ad Code

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তা পরে বলেছিলেন, তারা শুধু কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্বে আছেন, বাইরে কী হচ্ছে তা তাদের দেখার বিষয় নয়। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কারও কাছ থেকে যদি এমন বক্তব্য পাওয়া যায়, তাহলে দেশি-বিদেশি মহলের কাছে কী বার্তা যাবে?

হিরো আলমের ওপর হামলা চালিয়ে কার কী লাভ হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। এ হামলার ঘটনায় এরই মধ্যে জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘সহিংসতা ছাড়াই প্রত্যেকের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মৌলিক মানবাধিকার অবশ্যই নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে হবে।’ যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। অবশ্য নির্বাচন কমিশন হিরো আলমের ওপর হামলাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code