ইসলামে ঐক্য-অনৈক্যের বিষয়

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual4 Ad Code

ধর্ম: বালির কোনো স্থিতিশীলতা নেই, পরিমাণে তা যত বেশিই হোক। বাতাস অনায়াসেই তাকে দিগ্বিদিক উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে। যেকোনো ছোট-খাটো তাকে নিস্তানাবুদ করার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু পাথর বা টিলার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাহাড়ের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় সে নিজেকে স্থায়ী করে নেয়। সেখান থেকে নড়ে না। ঝড়-ঝাপটা নিয়ে তার কোনো ভয় নেই।
তুফান যখন বালুকণাকে অর্থহীন, শক্তিহীন প্রমাণ করে, ঠিক সে সময় পাহাড় নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবে৷ কারণ মানুষের চোখে নিজের শক্তিমত্তা আর স্থিতিশীলতা প্রমাণের এই তো সুযোগ! এবং সে সুযোগটাকে কাজে লাগায়ও খুব ভালো করেই।
তাহলে মনে প্রশ্ন জাগতে পারে— দুজনের উপাদান (প্রকৃতি) এক হওয়া সত্ত্বেও কেন আকাশ পাতাল তফাৎ।
বালুকণা হচ্ছে ইতস্তত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রস্তরখণ্ড৷ আর পাহাড় হচ্ছে জমাটবদ্ধ বালুর সমষ্টি। দুইয়ের উপাদান যেহেতু অভিন্ন, সেহেতু একজন ঝড়ের সামনে বেসামাল, আরেকজনের কাছে ঝড় কিছুই না। অর্থাৎ বালুকণা আর পাহাড়ের মধ্যকার পার্থক্য হলো অনৈক্য আর ঐক্যবদ্ধতার৷
বালুকণা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজেদেরকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আর পাহাড় জমে থেকে নিজেকে সুদৃঢ় মজবুত প্রমাণ করেছে।
মানবজীবনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কোনো জাতির সদস্যরা যখন অনৈক্যের চোরাবালিতে পতিত থাকে, পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে, তখন সমাজে ওই জাতির কোনো প্রভাব থাকে না, কোনো শক্তিমত্তা থাকে না।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code