

আটলান্টিক সিটি সংবাদদাতা- পবিএ ‘ঈদুল ফিতর’ ও ‘মেমোরিয়াল ডে’ উপলক্ষে নিউজারসির আটলান্টিক সিটিতে দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরন করেছে ‘হিউম্যানিটি’।গত পঁচিশ মে,সোমবার বিকেলে আটলান্টিক সিটির ‘রেসকিউ মিশন’এ প্রায় আড়াই শতাধিক দুঃস্থদের জন্য সংগঠনটির উদ্যোগে খাদ্য সরবরাহ করা হয়।
>> ‘হিউম্যানিটি’র এই মহতী উদ্যোগে সহায়তার হাত প্রসারিত করে এগিয়ে এসেছিলেন আটলান্টিক সিটির পঞ্চম ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর আনজুম জিয়া, সোহেল আহমদ,আকবর হোসেন,ফারুক তালুকদার,মো: শাহীন,ফরহাদ সিদ্দিক,বিপ্লব দেব,রওশনউদদীন,মো: সেলিম,ফারুক খান,মো: কবির,নূরউদ্দিন সেলিম, শান্তনু সরকার,বিনোদ ভেলোর,কিশোর কালসারিও, তাসলিমা নাসরিন,হাজেরা নাসরীন প্রমুখ। নিউজারসির দ্বিতীয় কংগ্রেসনাল জেলা থেকে কংগ্রেসওম্যান পদে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী এমি কেনেডী এই সময় উপস্হিত ছিলেন।তিনি এই ধরনের মানবিক ও মহতী আয়োজনের জন্য ‘হিউম্যানিটি’র প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে যে কোন মহতী উদ্যোগে ‘হিউম্যানিটি’র পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
>>>>>>>>>>>>>>>>>> এই খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে সুব্রত চৌধুরী ও সুমন মজুমদার বলেন, ‘আমরা সব সময় নিজেদের সাধ্যানুযায়ী মানুষের দু:সময়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। করোনার এমন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে আমাদের সবার একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলে আমরা মনে করি। বিশেষ করে কমিউনিটি এ্যাকটিভিষটদের আরও বেশি প্রয়োজন। কমিউনিটি এ্যাকটিভিষট হিসেবে দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকেই এই কাজটি করেছি আমরা। করোনার এই দু:সময়ে একা একা ভালো থাকা সম্ভব নয়,সবাইকে নিয়েই আমাদের ভালো থাকতে হবে – এমন প্রেরণা থেকেই আমরা পবিএ ‘ঈদুল ফিতর‘ ও ‘মেমোরিয়াল ডে’ উপলক্ষে এই উদ্যোগ নিয়েছি।বিশেষত ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করার লক্ষ্যেই আমাদের এই প্রয়াস। ‘হিউম্যানিটি’র এই মহতী প্রয়াসে যেসব মানবতাবাদী তাঁদের সহায়তার হাত প্রসারিত করেছেন উদ্যোক্তা সংগঠনের পক্ষে আটলান্টিক সিটি স্কুল বোর্ড সদস্য সুব্রত চৌধুরী ও পুলিশ কর্মকর্তা সুমন মজুমদার তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।এমি কেনেডীকে তাঁর সহযোগীতার জন্য তাঁরা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। ‘হিউম্যানিটি’র মানবিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহনে আগ্রহীদেরকে উদ্যোক্তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তাঁরা অনুরোধ জানিয়েছেন। করোনার এই সংকটকালে প্রবাসী বাংলাদেশীদের এই খাদ্য সহায়তা আটলান্টিক সিটির সর্বমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এই খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশীদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে বলে বিদগ্ধজনরা মনে করেন।