নিউজ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নতুন একটি বিল পাশ হয়েছে, যা আইনে পরিণত হলে দেশটির কোম্পানিগুলোকে চীনের শিনজিয়াং অঞ্চল থেকে তাদের আমদানি করা পণ্য বাধ্যতামূলক শ্রমে উৎপাদিত নয় এমন প্রমাণ দিতে হবে।
সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলটিতে ভয়াবহ নিপীড়ন চলছে বলে ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে এলেও বেইজিং বরাবরই তা প্রত্যাখ্যান করেছে। শিনজিয়াং নিয়ে একের পর এক ব্যবস্থা নিয়ে চীনকে চাপেও রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, তারই ধারাবাহিকতায় সিনেটে বৃহস্পতিবার ‘উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট’ নামের নতুন এ বিলটি পাশ হয়। বিলটি এখন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে যাবে, তিনি স্বাক্ষর করলে পরিণত হবে আইনে।
শিনজিয়াংয়ে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কোকা-কোলা, নাইকি ও অ্যাপলের মতো বড় বড় অনেক কোম্পানি বিলটির বিরোধিতা করে আসছে। হোয়াইট হাউজও কয়েক মাস ধরে এ ধরনের আইনের ব্যাপারে দ্বিধান্বিত ছিল; তবে কয়েক দিন আগে প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি জানান, কংগ্রেসে উইঘুরদের এলাকা থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার বিল পাশ হলে প্রেসিডেন্টও তাতে স্বাক্ষর করবেন। কয়েক দিন আগে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের আইনপ্রণেতারা উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট’ বিলের ভাষা নিয়ে একমত হন। আইনপ্রণেতাদের মধ্যে হওয়া সমঝোতায় চীনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাইডেন মনোনীত নিকোলাস বার্নসের নিয়োগ অনুমোদনের ক্ষেত্রে রিপাবলিকান বাধা সরিয়ে নেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চীনের সামরিক বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগে ৩০টি চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। চীনের মানবাধিকার পরিস্হিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া আগামী বছর ফেব্র‚য়ারিতে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকসে উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা না পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
