

ডেস্ক রিপোর্ট: অন্য দুই ফরম্যাটের চেয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন বিশ্ব মঞ্চে ভীতি ছড়ানো দল। উপমহাদেশের পরাশক্তি ভারত-পাকিস্তান কিংবা ক্রিকেট দুনিয়ার অভিজাত অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা; কোনও দলই এখন আর
এই ফরম্যাটে বাংলাদেশকে হালকা ভাবে নেয় না। গত বছরটা বাদ দিলে এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও গত বছরটাকে ভুলে যেতে চান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০২৩ সালে ৩২টি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে ১১টিতে জয়ের পাশাপাশি হেরেছে ১৮টি ম্যাচ। অথচ ২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ১০৯ ম্যাচ খেলে ৬১টিতে জয়ের
বিপরীতে হার রয়েছে ৪৫টি; যেখানে জয়ের পাল্লাই ভারি। তবে গত বছর এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে ছিল হতশ্রী পারফরম্যান্স। অথচ এই দলটিই ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে ওয়ানডে সুপার লিগের শীর্ষেই ছিল। শান্ত অবশ্য অতীতে ফিরতে চাইলেন না। তার মতে একটা বছর খারাপ যেতেই পারে, ‘সব সময় চ্যালেঞ্জ থাকবে। আন্তর্জাতিক যে কোনও দলের বিপক্ষে খেলার আগে চ্যালেঞ্জ থাকে। যেটা বললেন ২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছি। কাজেই একটা বছর খারাপ যেতেই পারে। কিন্তু দল হিসেবে ঘুরে দাঁড়িয়ে এই বছরটা ভালোভাবে ফেরাটা গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য ভালোভাবে প্রস্তুত।’
গত বছর ৩২টি ওয়ানডে খেললেও এবার খুব বেশি ওয়ানডে নেই। আগামী জুন-জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে বাংলাদেশ খেলবে প্রচুর টি-টোয়েন্টি। এছাড়া বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে প্রচুর পরিমাণ টেস্ট তো আছেই। মাত্র ছয়টি ওয়ানডে খেলবে চলতি বছর। টি-টোয়েন্টির বছরে ওয়ানডে ফরম্যাটে কনভার্ট হতে সমস্যা হবে কিনা এমন প্রশ্নে নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘খুব একটা প্রভাব ফেলে না। কারণ এই জিনিসটা আমরা সবাই মানিয়ে নিয়েছে। গত চার-পাঁচ বছর ক্রিকেট এভাবেই এগুচ্ছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সিরিজ থাকে, বা প্রস্তুতির সুযোগ থাকে, সময়ও থাকে। মানসিকভাবে সবাই ফিট হতে পারে। সবাই এভাবেই খেলছে’