এখন থেকেই যে ৫ উপায় মানলে অকালে পাকবে না চুল

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: আজকাল খুব কম বয়সেই চুলে পাক ধরে যায়। বেশ কিছু
কারণে চুল অকালে পেকে যেতে পারে। কয়েকটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখলে
এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। তবে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা
নেওয়ার আগে জানতে হবে চুলের অকালে পেকে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে।

১। পুষ্টির ঘাটতি
ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন দ্বারা প্রকাশিত একটি সমীক্ষা বলছে,
ভিটামিন বি-১২ এর ঘাটতির কারণে অকাল ধূসর হতে পারে। ক্ষতিকারক
অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত ৫৫ শতাংশ রোগীর চুল ৫০ বছরের আগে ধূসর হয়ে
যায়। এছাড়া কপার, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং জিঙ্কের ঘাটতি
মেলানোজেনেসিসের সাথে সম্পর্কিত, যা চুলের পিগমেন্টেশনকে প্রভাবিত
করে।

২। থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
থাইরয়েড হরমোন টি৩ এবং টি৪ এর ভারসাম্যহীনতার কারণে অকাল ধূসর,
অ্যালোপেসিয়া এবং চুলের আকার পরিবর্তন হতে পারে। এই হরমোনগুলো
সরাসরি চুলের ফলিকলকে প্রভাবিত করে, মেলানোজেনেসিসে একটি
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Manual2 Ad Code

৩। ধূমপান এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস

গবেষণা বলছে, ধূমপান এবং অকাল সাদা চুলের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
মেডিক্যাল নিউজ টুডে জানিয়েছে; অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলের ভারসাম্যহীনতার কারণে চুল তাড়াতাড়ি পেকে যেতে
পারে।

৪। প্রোটিনের অভাব এবং হাইপোপিগমেন্টেশন
চুলের বিপরীতমুখী হাইপোপিগমেন্টেশন প্রোটিনের ঘাটতিসহ পুষ্টির ঘাটতির
সাথে সম্পর্কিত। কপার এবং আয়রনের ঘাটতি সাদা চুলের কারণ হতে পারে।

Manual7 Ad Code

চুল অকালে পেকে যাওয়ার কারণগুলো জেনে তারপর নিতে হবে
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। আগে থেকেই সচেতন হলে বার্ধক্যের আগে চুল
পাকবে না। জেনে নিন কোন কোন বিষয় মেনে চলতে হবে এজন্য।

Manual3 Ad Code

১। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারে খান নিয়মিত। তাজা ফল এবং শাকসবজি,
গ্রিন টি, অলিভ অয়েল এবং মাছ হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চমৎকার
উৎস যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদ নমামি
আগরওয়া জানান, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জন্য গাঢ় শাক, লেবু, বাদাম, বীজ
এবং ফল খাওয়া জরুরি।

২। ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ
আগে বুঝে নিন আপনার কোন ভিটামিনের ঘাটতি রয়েছে। খাদ্যতালিকাগত
পরিবর্তনের মাধ্যমে ঘাটতি সংশোধন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন

বি ১২ সমৃদ্ধ খাবার যেমন সামুদ্রিক মাছ, ডিম এবং মাংসের সাথে ভিটামিন
ডি এর উৎস যেমন দুধ, স্যামন মাছ এবং পনির খেতে পারেন।

৩। ধূমপান ত্যাগ করুন
ধূমপান ত্যাগ করলে শারীরিকভাবে যেমন সুস্থ থাকবেন, তেমনি অকালে চুল
ধূসর হওয়া প্রতিরোধেও সাহায্য করবে এটি।

Manual7 Ad Code

৪। আমলকী খান
আমলকী অ্যান্টি-বার্ধক্য এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য
পরিচিত। চুলের অকালে ধূসর হওয়া রোধের জন্য এর রয়েছে কার্যকরী
ভূমিকা। ডায়েটে আমলকী রাখলে চুলের অকালে পেকে যাওয়া আটকানো
সম্ভব হবে।

৫। কপার সমৃদ্ধ খাবার খান
কপার সমৃদ্ধ খাবার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করুন। গরুর কলিজা, মসুর ডাল,
বাদাম, ডার্ক চকোলেট থেকে পর্যাপ্ত মাত্রার কপার পেতে পারেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code