

বিশেষ প্রতিবেদন: ভোট ইস্যুতে কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব নেওয়ার পর অনুষ্ঠেয় প্রথম ভোটে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিতে চায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে ইসি।
নির্বাচন কমিশন বলেছে, শক্ত-নরম অবস্থানের বিষয় এখানে নেই। আইনের বিধান অনুযায়ীই ইসি কাজ করছে।
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৪ এপ্রিল প্রথম কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে এ কমিশন। সেই সঙ্গে দেশের ১৩৫টি ইউনিয়ন পরিষদ, সাতটি পৌরসভা ও তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিলও দেওয়া হয়েছে।
তফসিল ঘোষণার পর থেকেই এসব ভোট সুষ্ঠু করতে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে ইসি। নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার রোধ ও সহিংসতা প্রতিরোধে কঠোর থাকার জন্য মাঠ প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে ইতোমধ্যে।
গত ১৬ মে নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে একদফা সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে আচরণবিধিমালা অনুসরণ করার জন্য কুমিল্লা-৬ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারকে চিঠিও দিয়েছে কমিশন।
চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমাদানে বাধা দেওয়ায় মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে ইলেকশন কমিশন। পরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার তদন্ত করে রবিবার ওই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলে বাধা, দাখিলকালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ইত্যাদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পূর্ব এনায়েতনগরের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহাবুব আলমের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিসও দিয়েছে ইসি। এদিকে আচরণবিধি ভঙ্গ করে নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর দায়ে মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মাহফুজুর রহমানকে সতর্ক করা হয়েছে।