করোনার পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করল বিসিএসআইআর

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

জিনোমিক রিসার্চ গবেষণাগারে তিনটি কোভিড-১৯ কেসের সম্পূর্ণ সিকোয়েন্সিং সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে বিসিএসআইআর।

Manual7 Ad Code

শনিবার (৩০ মে) বিসিএসআইআর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইছাহাক মোল্লা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সিনিয়র সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)- এর চেয়ারম্যানের মো. ফারুক আহমেদ-এর সার্বিক নির্দেশনা এবং তত্বাবধানে বিসিএসআইআর-এর জিনোমিক রিসার্চ গবেষণাগারে তিনটি কোভিড-১৯ কেসের সম্পূর্ণ সিকোয়েন্সিং সফলতার সাথে সম্পন্ন করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যাদি গ্লোবাল ডাটা ব্যাংক Global Initiative on Sharing All Influenza Data (GISAID)-এ উপস্থাপন করা হয়েছে, যা উক্ত সংস্থা কর্তৃক গৃহিত ও প্রকাশিত হয়েছে।

ডাটা এনালাইসিসে দেখা যায় এমাইনো এসিড লেভেলে মোট নয়টি ভ্যারিয়ান্ট পাওয়া যায়। সিকোয়েন্সিং করার জন্য নমূনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ সরকারের আরেকটি প্রতিষ্ঠান National Institute of Laboratory Medicine and Referral Center। প্রাপ্ত নমুনা হতে এ ফলাফল পাওয়া যায়।

Manual4 Ad Code

গবেষক দলের দল নেতা প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার এবং প্রকল্প পরিচালক ড. মো. সেলিম খান বলেন, ‘এনালাইসিসে বাংলাদেশের এই ভাইরাসটির সাথে সব চাইতে বেশি মিল (৯৯.৯৯%) পাওয়া যায় ইউরোপিয়ান উৎস বিশেষ করে সুইডেনের সাথে।’

Manual5 Ad Code

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বিসিএসআইআর-এর তিনটিসহ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সর্বমোট ২৩টি পূর্ণাঙ্গ সিকোয়েন্সিং ডাটা হতে কোনো সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়া মোটেই যথেষ্ট নয়।

Manual8 Ad Code

উৎস, ক্লাস্টার, ট্রান্সমিশন ডাইনামিক্স, মলিকুলার ডেটিং, ভ্যাক্সিন ডিজাইনসহ অন্যান্য গবেষণা কাজ বেগবান করার জন্য এই মুহূর্তে প্রয়োজন বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস আইসোলেট-এর আরও বেশি সিকোয়েন্সিং ডাটা।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সিনিয়ির সচিব বাংলাদেশের সম্ভাব্য সকল এলাকা থেকে নমূনা সংগ্রহ করে বিসিএসআইআর-এর জিনোমিক রিসার্চ গবেষণাগারে সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। সে নির্দেশনা অনুযায়ী বিসিএসআইআর-এর জিনোমিক রিসার্চ গবেষণাগারসহ ডিআরআইসিএম এ কাজটি করে যাচ্ছে।

কাজটি সম্পন্ন করা হলে একটি পূর্ণাঙ্গ ভিত্তির উপর গবেষণাটি প্রতিষ্ঠিত হবে, ফলে নভেলকরোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসের প্রতিষেধক, ওষুধ ও ভ্যাকসিন আবিস্কারে সহায়তা করবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code