বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল একই সময়ে রাশিয়ায় নতুন করে ৩৭ হাজার ৬৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৫২৮ জনের। ইউরোপের আর কোনো দেশ করোনায় রাশিয়ার চেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেনি।
মহামারির প্রভাবকে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ তেমন গুরুত্ব দেয় না বলে অভিযোগ আছে। রাশিয়ার পরিসংখ্যান সংস্থা রোসস্ট্যাটের হিসাব আরও ভয়াবহ চিত্র দেখা যাচ্ছে। সংস্থাটির দেওয়া সম্ভাব্য হিসাবে গত আগস্টের মধ্যেই রাশিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চার লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানির কথা বলা হয়েছে।
রাশিয়ায় করোনা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র রাজধানী মস্কো। ২৮ অক্টোবর থেকে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত জরুরি নয়—এমন সব পরিষেবা বন্ধ থাকবে মস্কোতে। এ ছাড়া দেশজুড়ে সব কর্মীকে বেতনসহ এক সপ্তাহ ছুটির নির্দেশ দিয়েছেন পুতিন। ক্রেমলিন বলছে, এ সময়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনও কোনো মুখোমুখি বৈঠক করবেন না।
রাশিয়ায় করোনায় উচ্চ মৃত্যুহারের জন্য দেশে টিকা নেওয়ার কম হারকে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। এ সপ্তাহে এক বৈঠকে এটাকে দুর্ভাগ্যজনক অভিহিত করে তিনি রাশিয়ানদের নিজ নিজ অবস্থানে দায়িত্ববোধ দেখিয়ে কোভিডের টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কয়েকটি দেশ রাশিয়ার টিকা স্পুতনিক-ভি ব্যবহার করছে। তবে ইইউ বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ টিকা ব্যবহারের অনুমোদন এখনো দেয়নি।
