কার্গো পরীক্ষায় কুকুরই ভরসা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual4 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ 

Manual6 Ad Code

করোনা মহামারির প্রকোপ কমে যাবার ফলে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে। ক্রেতারা এখন দ্রুত আকাশপথে পণ্য চাইছে। বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের দুটি স্ক্যানার মেশিন দীর্ঘদিন নষ্ট হয়ে থাকায় সময়মতো পণ্য রপ্তানি করা যাচ্ছে না। রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন অভিযোগ পাবার পরও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়নি। এখন প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পণ্যের পরীক্ষা করতে হচ্ছে। এমনও হয়েছে যে, পরীক্ষা করতে না পারায় সংশ্লিষ্ট এয়ারক্রাফট পণ্য না নিয়েই উড়াল দিয়েছে।

Manual7 Ad Code

সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শাহজালালের কার্গো ভিলেজে দুটি স্ক্যানার মেশিন ছিল। এর একটি নষ্ট হয় প্রায় একবছর আগে। অপরটি নষ্ট হয়েছে মাসখানেক আগে। কার্গো ভিলেজ কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে এখন মালামাল পরীক্ষা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একজন রপ্তানিকারক জানান, কুকুর দিয়ে পণ্য পরীক্ষা করা সময়সাপেক্ষ। আর কুকুরের সংখ্যা কম থাকায় দায়িত্বরত কুকুরদের ওপর চাপও বাড়ছে। দিবারাত্রি কাজ করতে করতে কুকুরদের অবস্থাও খারাপ। যে কারণে এয়ারক্রাফট এ সময়মতো পণ্য লোডিং করা যাচ্ছে না। এতে অনেক রপ্তানিকারকের অর্ডার বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ উল আহসান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, কার্গো ভিলেজের স্ক্যানারগুলো ঠিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই এ মেশিনগুলো ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া আরও দুটি মেশিন আমদানি করা হয়েছে। যেগুলো পরীক্ষার জন্য পরীক্ষক দল খুব শিগগিরই ঢাকা আসবেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ দিয়ে প্রতিদিন ৫০০ টন পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে। এসবের অধিকাংশই তৈরি পোশাক এবং শাক, সবজি ফলমূলসহ পচনশীল দ্রব্য।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code