

ডেস্ক রিপোর্ট: বিভিন্ন কারণে বাহুমূলে কালো দাগ পড়ে যেতে পারে। এসব কারণের মধ্যে কিছু হচ্ছে ডিওডোরেন্টে থাকা রাসায়নিকের প্রভাব,শেভিংয়ের ঘর্ষণ, মৃত ত্বকের কোষ জমে যাওয়া, আঁটসাঁট পোশাকের কারণে ঘর্ষণ, হাইপারপিগমেন্টেশন যেমন মেলানিনের বৃদ্ধি, অ্যাকন্থোসিস নিগ্রিকানস বা ত্বকের পিগমেন্টেশন ব্যাধি যা ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং অস্বাভাবিক হরমোনের মাত্রার সাথে সম্পর্কিত। কারণ যাই হোক, দাগ দূর করতে শুরুতেই কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করুন। তবে যদি কোনোভাবেই সেটা দূর করা না যায়, তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিতে হবে। যদি হঠাৎ করেই মনে হয় বাহুমূলে কালচে দাগ পড়ে যাচ্ছে, তবে ডিওডোরেন্ট বদলে ফেলুন। শেভিংয়ের বদলে ওয়াক্সিং করুন। আলুর রস বের করে বাহুমূলে লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কমলার খোসার গুঁড়ার সঙ্গে এক টেবিল চামচ দুধ এবং এক টেবিল চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। এই পেস্ট বাহুমূলে ঘষুন কয়েক মিনিট এরপর ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার লাগান এই পেস্ট। লেবু স্লাইস করে বাহুমূলে ঘষুন দশ মিনিট। এরপর ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান। দুই টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে বাহুমূলে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ডিমের কুসুমের সঙ্গে তেল মিশিয়ে বাহুমূলে লাগান। সারারাত রেখে পরদিন সকালে পিএইচ-ব্যালেন্সড বডি ওয়াশ বা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেল ম্যাসাজ করুন বাহুমূলে। ১৫ মিনিট পর মাইল্ড সাবান ও কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৫ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল ও ৮ আউন্স পানি একসঙ্গে মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন বাহুমূলে। গোসলের পর এটি লাগাবেন। প্রাকৃতিকভাবে শুকাতে দিন।
বেকিং সোডা পাওয়া যায় আমাদের প্রায় প্রত্যেকের রান্নাঘরেই। বেকিং সোডার সঙ্গে পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। পেস্টটি বাহুমূলের কালচে অংশে ঘষুন কিছুক্ষণ। পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুইবার ব্যবহারে সুফল মিলবে দ্রুত।