কোম্পানীগঞ্জে তলিয়ে গেছে ৪০০ বিঘা বোরো জমি

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি হাওরের নিচু জমির প্রায় ৪০০ বিঘা বোরো ফসল উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। গত রোববার রাত থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ে তলিয়ে যায় এসব জমি।

Manual1 Ad Code

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়নের ফুকছা হাওর, ভাই কুড়ি, মটরের কুড়ি, দেওয়ার কর, কাপনা কুড়ি, ডাইলা হাওর, আখাই কুড়ি, কাংলাঘাটি ও দরম হাওর মিলিয়ে প্রায় ৪০০ বিঘা জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফসল রক্ষা বাঁধের বাইরে আবাদ করা ওইসব জমির ফসল ছিল দুধ ও দানা পর্যায়ে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পঙ্কজ জানান, ইছাকলস ইউনিয়নের মাত্র ৫০ বিঘা জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। তবে, পাথারচাউলি হাওর রক্ষা বাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে হাওরের হাজারো হেক্টর জমির ধান তলিয়ে যাবে।

Manual7 Ad Code

পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর আলম জানান, পাহাড়ি ঢলের শঙ্কায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে রাউটি হাওরে বাঁধ তৈরি করি। তবুও পানি আটকানো যায়নি। প্রবল স্রোতে বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করে বোরো ফসল তলিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রায়হান পারভেজ রনি বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। পানির এমন প্রবাহ থাকলে ফসল রক্ষা বাঁধের সীমা উপচে উপজেলার সমস্ত বোরো ফসল তলিয়ে যাবে। এ বছর উপজেলায় ৫ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী ফখরুল আহমেদ বলেন, কোম্পানীগঞ্জে হাওরে এবার ৬ দশমিক ৫৭১ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার ব্যয় বরাদ্দে এ বাঁধ মজবুত হলেও অতিরিক্ত পানি বেড়ে উপচে পড়লে হাওরের বোরো ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

Manual7 Ad Code

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং বলেন, আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে, আমাদের ফসল রক্ষা বাঁধগুলো এখনও নিরাপদ জোনে আছে। ইতোমধ্যে যেসব কৃষকের ফসল তলিয়ে গেছে; সেসব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code