গণমাধ্যমকর্মী আইনের ৩৭টি ধারাই সাংবাদিকবান্ধব নয়

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual2 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: সংসদে উপস্থাপিত হয়েছে ‘গণমাধ্যমকর্মী আইন’। কিন্তু আইনটি সম্পর্কে সাংবাদিক নেতারা ও সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো নানাভাবে আপত্তির বিষয়টি সরকারকে জানিয়েছেন। তাড়াহুড়ো করে আইনটি পাস না করে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন কেউ কেউ। অনেকে আবার আইনটির যেসব ধারায় আপত্তি রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে নিজেদের পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গণমাধ্যমকর্মী আইনের অধিকাংশ ধারা ও উপধারায় মালিকপক্ষ ও সাংবাদিকদের অধিকার খর্ব হবে।

সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) পৃথক বিবৃতি দিয়ে বলেছে, নতুন গণমাধ্যমকর্মী আইনের প্রয়োজন নেই।

Manual2 Ad Code

প্রস্তাবিত আইনটির ৫৪টি ধারার মধ্যে ৩৭টিই সাংবাদিকবান্ধব নয় বলে সম্পাদক পরিষদ, সিনিয়র সাংবাদিক এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা মতামত ব্যক্ত করেছেন। এ আইন পাস হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্তসহ সংবাদপত্রের বিকাশ সংকুচিত হবে বলে মনে করছেন তারা।তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, পরীক্ষাধীন প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইনটি পরিবর্তন-পরিমার্জন করে যাতে সাংবাদিকদের স্বার্থ পুরোপুরি সংরক্ষিত হয় সে ব্যাপারে সরকার একমত। সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

Manual8 Ad Code

আইনটির নাম নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন দেশের অধিকাংশ সাংবাদিক নেতা। গণমাধ্যমকর্মী আইন’ নাম দিয়ে সাংবাদিকদের সংবাদপত্রের কর্মী বানানো হয়েছে; যা পেশাকে হেয় করার শামিল। এ ছাড়া নতুন আইনটির নামের সঙ্গে সংবাদপত্রের মালিকদের যুক্ত করা যায়নি। তাই সবার আগে আইনটির নাম পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। কেউ বলছেন, যদি আইন করতেই হয়, তবে সেটার নাম হতে পারে ‘সংবাদমাধ্যম আইন’। আবার কেউ বলেছেন, নতুন আইনটির নাম সংশোধন করে ‘সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম কর্মচারী (চাকরি শর্তাবলি) আইন, ২০২১ রাখতে। এতে যাদের জন্য এ আইন সেই পেশাজীবীদের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। তারা আরও বলেছেন, প্রস্তাবিত আইনে সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code