গ্রিনল্যান্ডের অদ্ভুত ধাতব পাহাড় যেভাবে গেল মার্কিন মিউজিয়ামে

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual3 Ad Code

লন্ডন অফিস:

Manual5 Ad Code

বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপের নাম গ্রিনল্যান্ড হলেও সেখানে দেখা মেলে না এক ফোঁটা সবুজের। সেখানকার ৮৫ শতাংশ এলাকা তুষারে ঢাকা। ২১ কোটি ৬৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই দ্বীপটির অধিবাসীর সংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজারের কাছাকাছি।

গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীদের সাধারণত আমরা এস্কিমো বলে জানি। এস্কিমো নামটি এখন অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা বন্ধ হয়ে গেছে। মেরু অঞ্চলে সাদা তুষারের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা এই মানুষগুলো নিজেদের ‘ইনুইট’ বা ‘মানুষ’ নামে ডাকতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

Manual8 Ad Code

১৮ শতকে ইউরোপের কয়েকটি অনুসন্ধানকারী দল গ্রিনল্যান্ডে পা রাখার পর মৃত্যুশীতল তাপমাত্রায় প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে থাকা এই মানুষগুলোর সন্ধান পান। তারা দেখেন প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে টিকে থাকার আশ্চর্য শক্তি রয়েছে এদের মধ্যে।

Manual2 Ad Code

তীব্র ঠান্ডা ও বরফাচ্ছাদিত এই অঞ্চলে বেঁচে থাকাই প্রায় অসম্ভব। খাবার জোগাড়ের উপায় মাছধরা ও শিকার। ইউরোপ থেকে আসা মানুষগুলো দেখলেন পৃথিবীর বাকি অংশের সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন ইনুইটরা শিকারের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে লোহা দিয়ে তৈরি অস্ত্র।

১৮১৮ সালে ইংল্যান্ডের অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জস রোস গ্রিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে স্থানীয় ইনুইটদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সে সময় তিনি লক্ষ করেন, ইনুইটরা শিকারের জন্য এক ধরনের বিশেষ ছুরি ও বল্লম ব্যবহার করেন যেগুলোর অগ্রভাগে লোহার মতো শক্ত ধাতব উপাদান রয়েছে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code